

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


টাঙ্গাইল সদর উপজেলার টাঙ্গাইল-তোরাবগঞ্জ সড়কের এলাংজানী নদীর ওপর নির্মিত এসডিএস সেতুর অ্যাপ্রোচ অংশ ধসে পড়েছে। এতে করে টাঙ্গাইল-তোরাবগঞ্জ সড়কে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে সেতুর পশ্চিম পাশের অ্যাপ্রোচ হঠাৎ ধসে পড়লে ওই এলাকার অন্তত ২০-২৫ গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। এতে করে পশ্চিম টাঙ্গাইলের কয়েকটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ভোরে বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
জানা যায়, সদর উপজেলার চলাঞ্চলে হুগড়া, কাকুয়া,কাতুলী, মাহমুদনগর এবং সিরাজগঞ্জের চোহালির একটি অংশ এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করে থাকেন।টাঙ্গাইলের চারাবাড়ি তোরাবগঞ্জ ধলেশ্বরী নদীর উপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর ২০০৬ সালে ১৭০ দশমিক ৬৪২ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতু নির্মাণ করেন।
স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে যমুনার শাখা নদী এলাংজানী নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে তীব্র স্রোত তৈরি হয়। এতে সেতুর পশ্চিম পাড়ের মাটি ধসে গিয়ে অ্যাপ্রোচ অংশ ভেঙে পড়ে। ফলে তোরাবগঞ্জ, চারাবাড়িসহ অন্তত ২০-২৫ গ্রামের মানুষকে বিকল্প পথে চলাচল করতে হচ্ছে।ধসের পর থেকে ছোট-বড় যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয় আব্দুর রশীদ বলেন, সেতুটি নির্মাণের পর থেকেই তিনবার সেতুর অ্যাপ্রোচ ভেঙ্গে গেছে।এই সেতুর নিজ দিয়ে শুকনো মৌসুমে বালু উত্তোলন করে থাকেন। যার ফলে বর্ষা মৌসুমে অ্যাপ্রোচ বারবার ভেঙ্গে পড়ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) শাহীন মিয়া বলেন, ভোরে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে সমন্বয় করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। কারন যেহেতু ঘটনাস্থলে আশেপাশে কোন ব্রিজ অথবা বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা নেই। তাই বিষয়টি আমরা সকলের সমন্বয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করছি।
এসময় বিএনপি প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, পশ্চিম টাঙ্গাইলের লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ লাগবের জন্য দ্রুত ব্রিজের কাজ করার জন্য কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে ভোরে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি।সেখানে দেখা গেছে ব্রিজের পশ্চিম পাশে শত শত মানুষ শহরের আসার জন্য সিএনজি অটো রিকশা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের যোগাযোগের জন্য দ্রুত বিকল্প হিসেবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে এমনটি কর্তৃপক্ষ আমাকে জানিয়েছে।
জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, স্থায়ী ভাবে সমাধান না করলে প্রতিনিয়ত এই ভোগান্তি হবে।যে পর্যন্ত এই রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু না হনে সে পর্যন্ত আমরা জামায়াতের লোকজন অবস্থান করবো।
মন্তব্য করুন