মঙ্গলবার
২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নবীনগরে আ’লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, আহত ১০

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজারে দোকান ঘর নির্মাণ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। জিনদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবিসহ ৩ জন গ্রেফফতার হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঙ্গরা বাজারে একটি দোকান ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল জিনদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজারের সভাপতি শামীম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচীব আবু কাউছার, জিনদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজনু সরকার এবং ইউপি চেয়াম্যান রবিউল আওয়াল রবি ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলামের মধ্যে।

অভিযোগ রয়েছে, গত ২০ এপ্রিল শফিকুল ইসলাম মোবাইল ফোনে উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব আবু কাওসারকে হুমকি দেন। এর জের ধরে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে মুহূর্তের মধ্যে বাঙ্গরা বাজার রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবি, তার ভাই শফিকুল ইসলাম, তুহিন ও রুবেল রয়েছেন। অপরদিকে শামীম, তার ছেলে শান্ত, মিজানুর রহমান মজনুসহ আরও কয়েকজন আহত হন।

আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়াম্যান রবিউল আওয়াল রবি জানান,আমি কোন অন্যায় করিনি।যেখানে দোকান ঘর নির্মান করা হচ্ছিল সেটি আমার লীজকৃত জায়গা। তারা সরকারি দলের লোকজন হওয়ায় মব সৃষ্টি করে আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখে।

যুবদলের সাবেক সদস্য সচীব কাউছার বলেন, সরকারি জায়গায়তে রবি চেয়ারম্যান দোকান নির্মান করতে আসলে আমার ভাই বাজারের সভাপতি শামীম বাধা দিলে তারা অতর্কিত হামলা করে।পরে উনিসহ ঔ হামলায় অনেকে আহত হয়।

সংঘর্ষের এক পর্যায়ে উত্তেজিত শামীমের সমর্থকরা চেয়ারম্যান ও তার দুই ভাইকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং চেয়ারম্যান ও তার দুই ভাই রুবেল ও পলাশকে থানায় নিয়ে যায়।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, রফিকুল ইসলাম বলেন,পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে।ঘঠনার জড়িত তিনজনকে ইতোমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা শান্ত রাখতে এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন