

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে গত কয়েক দিন ধরে জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল এ জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার কারণে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।
ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষরা ।
আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার।
এর আগে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোরে তেঁতুলিয়ায় চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
ওই দিন সকাল থেকেই ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা বেড়ে যায়। শুক্রবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এর আগের দিন বুধবার (৭ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত কয়েক দিন ধরে দুপুরের পর সূর্যের দেখা মিললেও কাঙ্ক্ষিত উষ্ণতা পাওয়া যাচ্ছে না। শনিবার ভোর থেকেই পঞ্চগড়ের গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়ক ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়।
কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক চালককে ধীরগতিতে যানবাহন চালাতে দেখা গেছে।
টানা শীত ও কুয়াশার প্রভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকার দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম সংকটে পড়েছেন। কনকনে শীতের কারণে অনেকেই ভোরে কাজে বের হতে পারছেন না। শীত নিবারণের জন্য ভোর থেকে গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে খড়কুটো, শুকনো পাতা ও কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা করছে। উত্তরের হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আগামী কয়েক দিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন
