রবিবার
১১ জানুয়ারি ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
রবিবার
১১ জানুয়ারি ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাদুরোর মতো পুতিনকেও তুলে নেয়ার পরিকল্পনা আছে কিনা, জানালেন ট্রাম্প

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩১ পিএম আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভ্লাদিমির পুতিন
expand
ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভ্লাদিমির পুতিন

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়কালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সম্পর্ক ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বিশ্বের দুই প্রভাবশালী শক্তির মধ্যে সম্পর্ককে অনেকেই টানাপোড়েনপূর্ণ বলে দেখলেও ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে রাশিয়া প্রশ্নে তুলনামূলকভাবে নমনীয় অবস্থান নিতে দেখা গেছে সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর পদক্ষেপের পর বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের প্রতি হুমকির ভাষা শোনা গেলেও রাশিয়ার ক্ষেত্রে ভিন্ন সুর বজায় রেখেছেন ট্রাম্প।

মাদুরোকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন মিত্র ইঙ্গিত দেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধেও একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

তবে এসব জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প নিজেই। পুতিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে নিয়ে তিনি “ভীষণ হতাশ” হলেও তাকে আটক করার মতো কোনো অভিযানের প্রয়োজন তিনি দেখছেন না।

উল্লেখ্য, ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইতোমধ্যে ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র সরিয়ে নেওয়ার পর দেওয়া এক বক্তব্যে জেলেনস্কি সরাসরি নাম উল্লেখ না করলেও বলেন, স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে পরবর্তী করণীয় যুক্তরাষ্ট্র ভালোভাবেই জানে।

এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়—পুতিনকে আটক করতে কোনো সামরিক বা গোপন অভিযানের নির্দেশ তিনি দেবেন কি না। জবাবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, “আমি মনে করি না, এমন কিছু করার প্রয়োজন আছে। পুতিনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সবসময় ভালো ছিল এবং থাকবে।” একই সঙ্গে তিনি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে না পারায় তিনি হতাশ।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, প্রায় চার বছর ধরে চলা এই সংঘাতে বিপুল প্রাণহানি হয়েছে।

তার ভাষায়, শুধু গত মাসেই প্রায় ৩১ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের বড় অংশই রুশ সেনা। তিনি আরও বলেন, রাশিয়ার অর্থনীতি কঠিন সময় পার করছে এবং শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধের সমাধান সম্ভব বলে তিনি আশাবাদী।

ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি আগেও একাধিক যুদ্ধ পরিস্থিতির মীমাংসায় ভূমিকা রেখেছেন এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতও তুলনামূলক দ্রুত থামানো সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেছিলেন। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় প্রাণহানি বাড়ছে, যা তাকে উদ্বিগ্ন করছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X