

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা–সদরপুর–চরভদ্রাসন) জাতীয় সংসদীয় আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) তাকে এ শোকজ নোটিশ প্রদান করা হয়। নোটিশটি প্রদান করেন মোহাম্মদ রুহুল আমিন, সিভিল জজ, ফরিদপুর এবং জাতীয় সংসদীয় আসন-২১৪-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কর্মকর্তা।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রণীত নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা, ১৯৯২ এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ (সংশোধিত)-এর একাধিক ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারণাকালে মাওলানা সরোয়ার হোসেন অনুমোদনহীনভাবে এবং নির্ধারিত বিধিমালা উপেক্ষা করে কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন, এমন অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা তদন্তে পাওয়া গেছে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আসার পর কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী এ শোকজ নোটিশ জারি করা হয়।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীকে লিখিতভাবে অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে হবে। সময়মতো সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে নির্বাচন আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার জানামতে আমি কখনো কোনো নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করিনি। মসজিদে নামাজের পর কোরআন-হাদিসের আলোকে কথা বলা আমার নিয়মিত অভ্যাস। সেখানে কোনো ভোটের আহ্বান বা লিফলেট বিতরণ করা হয়নি। কী কারণে আমাকে শোকজ করা হয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আগামী ১৩ তারিখ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে ডাকা হয়েছে। বিষয়টি আইনগতভাবেই মোকাবিলা করব।”
উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনে নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ইতোমধ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে একাধিক প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন
