

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শেরপুরে বাসা-বাড়িতে নিয়মিত গ্যাস না পাওয়ায় বিক্ষোভ করেছেন গ্রাহকরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে শেরপুর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কার্যালয়ের সামনে এ বিক্ষোভ করেন তারা।
গ্রাহকরা জানান, জেলা শহরের আবাসিক এলাকাগুলোতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছেন না বৈধ গ্রাহকরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের। ঠিকমতো বিল দিয়েও নিয়মিত গ্যাস না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভ করেছেন তারা। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা থাকলেও কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ তাদের।
বিক্ষোভকারীরা আরও জানান, গ্যাস সংযোগের শুরু থেকেই আমরা নিয়মিত বিল দিয়ে আসছি। আমাদের কোনো বকেয়া নেই। তারপরও দীর্ঘদিন ধরে আমরা ঠিকমত গ্যাস পাচ্ছি না। প্রায় সময়ই সকাল ছয়টার দিকে গ্যাস চলে যায়; রাত ১২টা কিংবা সাড়ে ১২টার দিকে আবার গ্যাস আসে। তখন গ্যাস আসলেও গ্যাসের চাপ অনেক কম থাকে। অনেক সময় রান্নাবান্না শেষ করতে করতে ভোর হয়ে যায়। আমরা এইভাবে আর কতদিন চলতে পারি। আমরা এখন নিরুপায়। আমরা অফিসকে বারবার বিষয়টি অবগত করেছি। তারা এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
খরমপুর এলাকার মীর হোসেন নামের বাসিন্দা বলেন, সকালে রান্না করবো গ্যাস নাই। রাতে রান্না করবো গ্যাস নাই। আমাদের ছোট ছোট সন্তান রয়েছে তারা স্কুলে পড়াশোনা করে। তাদের খাবার তৈরি করে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় আমরা আরও বিপাকে পড়েছি।
নারায়নপুর এলাকার বাসিন্দা রহিম দুলাল বলেন, গ্যাসের লাইন নিয়ে বিপদে আছি। গ্যাসের থাকার পরেও সিলিন্ডার ব্যবহার করতে হচ্ছে। এদিকে সিলিন্ডাও নাই বাজারে।
এ ব্যাপারে শেরপুর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন অফিসের ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. বদরুজ্জামান বলেন, শীতের কারণে গ্যাসের চাপ কম থাকায় এই সমস্যা হচ্ছে। আবার আমাদের অফিসের আশেপাশে যে সমস্ত গ্যাস সংযোগ আছে তারা সারাদিনই গ্যাস ব্যবহার করতে পারে। তবে, একটু দূরের বাসিন্দাদের গ্যাস পেতে সমস্যা হচ্ছে। আর দিনের বেলায় গ্যাসের চাহিদা বেশি থাকায় এমনটা হয়তোবা হচ্ছে। একইসাথে যদি কোন জায়গায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন
