শুক্রবার
০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুরে অপহরণের ৬ ঘণ্টা পর অপহৃত কলেজ ছাত্র উদ্ধার

মেহেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম
মাহিদ হোসেন
expand
মাহিদ হোসেন

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার কোমরপুর থেকে কলেজ ছাত্র মাহিদ হোসেনকে অপহরণ করে এক দল দুর্বৃত্তরা।

অপহরণের পর থেকে মাহিদের পরিবারের কাছে ৩০ লাখ টাকা মুত্তিপণ দাবী করে অপহরণকারীরা।

জেলা পুলিশের বিশেষ শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে ৬ ঘণ্টা পর অপহৃত মাহিদ হোসেনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উদ্ধার অভিযানের সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামের চাকুরিজীবী আমির উদ্দিনের ছেলে মাহিদ হোসেন।

মেহেরপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খানের নেতৃত্বে মুজিবনগর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)সহ পুলিশের একাধিক টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে।

রাত দুইটার দিকে অভিযানের একপর্যায়ে টেংরামারী গ্রামের একটি মাঠ থেকে অপহৃত যুবক মাহিদ হোসেনকে উদ্ধার করা পুলিশ।

পুলিশ সুপার উজ্জল কুমার রায় জানান, অপহরণের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল এলাকায় অভিযান শুরু করে। এ সময় অপহৃত মাহিদের মামার মোবাইল ফোনে অপহরনকারীর সঙ্গে মুক্তিপণ নিয়ে কথোপকথন চলছিল।

তাদের নির্দেশ অনুযায়ী মুক্তিপণের টাকা দিতে টেংরামারী গ্রামের একটি মাঠে গেলে পুলিশের সদস্যরাও কৌশলে পিছু নেন।

একপর্যায়ে লাইটের আলোতে পুলিশকে দেখে ফেলে দুর্বৃত্তরা। তখন তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে দুটি শক্তিশালী ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অপহৃত মাহিদকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায়।

পরে পুলিশ তাকে নিরাপদে উদ্ধার করে।

তিনি আরো জানান, অপহৃতকে উদ্ধারে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছে এবং এ ঘটনায় অপহরনকারীদের সনাক্ত সহ তাদের আটকে অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটার দিকে মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে মাহিদ হোসেন তার দুই বন্ধু রিয়াদ ও জুনায়েদকে সঙ্গে নিয়ে মুজিবনগর বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন।

পথে কোমরপুর এলাকার একটি ইটভাটার কাছে পৌঁছালে অজ্ঞাত কয়েকজন দুষ্কৃতকারী তাদের পথরোধ করে তিনজনকে অপহরণ করে পাশের একটি মাঠে নিয়ে যায়।

পরে রিয়াদ ও জুনায়েদকে ছেড়ে দিলেও মাহিদকে অপহরণকারীরা সঙ্গে নিয়ে যায় এবং তার পরিবারের কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

ঘটটনার পর থেকে জেলা পুলিশের একাধিক টিম তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে অপহৃত কলেজ ছাত্রকে উদ্ধার করে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X