শুক্রবার
০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিখোঁজের দুই দিন পর গোপালগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৮ পিএম
নিহত শিশু সিনথিয়া খানম বৃষ্টি (৭)
expand
নিহত শিশু সিনথিয়া খানম বৃষ্টি (৭)

নিখোঁজের দুইদিন পর গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সিনথিয়া খানম বৃষ্টি (৭) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

প্রাথমিক তদন্তে ওই শিশুকে হত্যা করে মরদেহ তারাইল বাজারের পাশের বাগানে ফেলে রাখা হয়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকাল ৪ টার দিকে কাশিয়ানী থানা পুলিশ ফুকরা ইউনিয়নের তারাইল বাজারের পশ্চিম পাশের বাগান থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। সুরাতাহাল রিপোর্ট শেষে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য ওই শিশুর মরদেহ গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নিহত সিনথিয়া খানম বৃষ্টি কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের পাংখারচর গ্রামের লিটন শেখের মেয়ে। বৃষ্টি পাংখারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

বৃষ্টির বাবা লিটন শেখ বলেন, গত রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকালে তারাইল বাজারে যায় বৃষ্টি। তারপর আর বাড়ি ফিরে আসেনি। ঘটনার দিন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এরপর তাকে খুঁজে পেতে মাইকিং করা হয়। তারপরও তার সন্ধান মেলেন। পরের দিন সোমবার কাশিয়ানী থানায় নিখোঁজ জিডি করে বৃষ্টির মা পাপিয়া বেগম। আজ রোববার বিকেলে তারাইল বাজারের পাশের বাগান থেকে পুলিশ বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ উদ্ধারের সময় বৃষ্টির কানে দুল ছিল না। ধারণা করছি তার কানের দুল ছিনিয়ে নিয়ে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে থাকতে পারে। আমি এ ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি।

কাশিয়ানী থানার ওসি মাহফুজুর রহমান বলেছেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরাতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে। তারপর ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই শিশুকে হত্যা করে মরদেহ সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে ‌।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ ইতিমধ্যে এ ঘটনার তদন্তে মাঠে নেমেছে। আমরা অচিরেই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পারব। এছাড়া ঘটনার জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X