

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজশাহীতে রাস্তার কাজের সাইটে চাঁদা চাইতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার হয়েছেন এক বিএনপিকর্মী।
বৃহস্পতিবার (০১ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা কলেজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পিটুনির শিকার বিএনপিকর্মীর নাম আতাবুর রহমান। নওহাটা পৌরসভার বাঘাটা মহল্লায়। তিনি নওহাটা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র শেখ মকবুল হোসেনের অনুসারী।
আতাবুর রহমান বিকেলে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। কথা বলতে তার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বন্ধ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নওহাটা কলেজ মোড় এলাকায় একটি রাস্তার কাজ চলছে। মূল ঠিকাদারের কাছ থেকে সেখানে মাটি কাটার কাজ পেয়েছেন স্থানীয় যুবদলকর্মী আজাদ আলী। আজাদের অভিযোগ, কাজ শুরুর পরই আতাবুর রহমান তাঁর কাছে চাঁদা চাইতে গিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ‘আজই কাজ শুরু করেছি। তারপরই আতাবুর এসে বলে, কাজ করলে তাঁকে টাকা দিতে হবে। তা না হলে ভেকু গাড়ি ভেঙে দেবে। আমি বলি, আমিও বিএনপি, তুই-ও বিএনপি। কিসের টাকা? এই কথার পর তর্কবিতর্ক হচ্ছিল। সে চাঁদা চাইতে এসেছে দেখে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজনই তাকে মেরেছে।’
আজাদ জানান, ঘটনার পর তিনি ও তার ব্যবসায়ীক অংশ্বীদার বিপ্লব হোসেন পবা থানায় যান। এটি দেখে আতাবুর তার লোকজন নিয়ে এসে থানার সামনেই তাদের মারধর করেন। সন্ধ্যায় তারা থানাতেই ছিলেন। পুলিশ উভয়পক্ষকে মীমাংসা করে নিতে বলছে বলে তিনি জানান।
তিনি অভিযোগ করেন, আতাবুর মাদকের ব্যবসা করেন। ৫ আগস্টের পর তিনি এলাকায় ব্যাপক চাঁদাবাজি করেছেন। তাঁকে বিএনপির কেউ কেউ প্রশ্রয় দেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
জানতে চাইলে নওহাটা পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজাদ যুবদলকর্মী, আতাবুরও বিএনপিকর্মী। তার কাছে চাঁদা চাইতে যাওয়ার তো মানে হয় না। ৫ আগস্টের পর সে মানুষকে যে অত্যাচার করেছে! যাকে-তাকে বলে, তুই আওয়ামী লীগ। যাহোক, এসব কথা বলতে চাই না। যারা আতাবুরকে শেল্টার দেয়, তারা ভাগ খেয়ে বসে থাকে।’
পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বলেন, ‘মারামারির ঘটনা ঘটেছে। কী নিয়ে ঘটনা তা অভিযোগ না পাওয়া পর্যন্ত বলতে পারছি না। অভিযোগ হলে তদন্ত করে দেখা হবে।’
মন্তব্য করুন
