

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফুটকাপ বিশ্বকাপ সামনে রেখে কানশাস শহরে একটি অস্থায়ী আটককেন্দ্র বানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যা এরইমধ্যে ‘বিশ্বকাপ জেল’ নামে বেশ পরিচিতি পেয়েছে।
কানশাস শহরের স্থানীয় প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট চলাকালে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর আগমন এবং সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০০ আসনের একটি মডুলার আটক কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
স্থানীয় পর্যটন সংস্থা ভিজিট কেসির হিসাব অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট চলাকালে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার দর্শনার্থী কানসাস সিটি সফর করবেন।
অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে গ্রুপ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ম্যাচের পাশাপাশি নকআউট পর্বের খেলাও রয়েছে। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের মতো দলগুলোও কানসাস সিটিকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।
নীতিনির্ধারকরা ভাবছেন, বিশ্বকাপের মতো বড় আন্তর্জাতিক আয়োজনের সময় ছোটখাটো অপরাধ, জনশৃঙ্খলা ভঙ্গ, মদ্যপ অবস্থায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি কিংবা পৌর আইন লঙ্ঘনের ঘটনা বাড়তে পারে। এসব পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত আটক সুবিধার প্রয়োজনীয়তা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কানকাস শহরের সহকারী সিটি ম্যানেজার জেফ মার্টিন জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই কেন্দ্রটি চালুর পরিকল্পনা থাকলেও প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগোয়নি। অন্যদিকে কাউন্সিলম্যান ওয়েস রজার্স বলেন, বড় ক্রীড়া আসরের সময় জনসমাগমের চাপ বিবেচনায় এমন একটি ব্যবস্থা প্রয়োজন হতে পারে।
তবে পরিকল্পনাটি নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। কিছু অধিকারকর্মী ও অভিবাসনবিষয়ক সংগঠন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, ভবিষ্যতে এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা ইউএস ইমিগ্রেশন এন্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের মাধ্যমে আটক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে পারে।
যদিও সিটি কর্তৃপক্ষ এ আশঙ্কা নাকচ করে বলেছে, অস্থায়ী এই আটক কেন্দ্র মূলত ছোটখাটো অপরাধ বা পৌর আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের জন্য ব্যবহৃত হবে। গুরুতর অপরাধে অভিযুক্তদের জন্য এটি ব্যবহার করার কোনো পরিকল্পনা নেই।
