

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইসরায়েলের নতুন করে চালানো বিমান হামলায় রক্তাক্ত হলো গাজা উপত্যকা।
শনিবার (৪ অক্টোবর) দিনভর অন্তত ৯০টিরও বেশি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।
গাজার গণমাধ্যম কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাগুলো হয়েছে গাজা সিটিতে, যেখানে অন্তত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান সারাদিন ধরেই বিভিন্ন স্থানে টানা বোমাবর্ষণ চালায়।
হামাস এক বিবৃতিতে জানায়, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক মহলে দাবি করছে যে তারা বেসামরিক এলাকায় হামলা কমিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে বোমাবর্ষণের মাত্রা আরও বেড়েছে। সংগঠনটি এই অভিযানকে “নৃশংস আগ্রাসন” বলে আখ্যা দিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর এ হামলা প্রমাণ করে যে নেতানিয়াহু সরকার যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত, এবং তাদের শান্তির দাবি নিছক প্রহসন।
হামাস আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে—ইসরায়েলকে চাপের মুখে এনে এ গণহত্যা বন্ধ করতে এবং মানবিক ত্রাণ কার্যক্রম সহজ করতে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে ইসরায়েলকে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “হামাস ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তি দিতে রাজি হয়েছে, যা শান্তি আলোচনার জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ। আমি বিশ্বাস করি, হামাস এখন স্থায়ী শান্তির পথে এগোতে চায়।”
অন্যদিকে মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী সোমবার (৬ অক্টোবর) কায়রোতে ইসরায়েল ও হামাসের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
সেখানে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফা গাজা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে বলে নিশ্চিত করেছে কূটনৈতিক সূত্রগুলো।
মন্তব্য করুন
