

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গাজায় মানবিক সহায়তা নিয়ে যাওয়া ফ্লোটিলা আটক করায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিশ্বের নানা প্রান্তে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রতিবাদকারীরা সড়ক অবরোধের পাশাপাশি ইসরায়েলি মালিকানাধীন রেস্তোরাঁ, দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালান।
ইসরায়েলি নৌবাহিনী বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ৪১টি নৌযানে থাকা ৪০০ জনেরও বেশি মানবাধিকারকর্মীকে আটক করে।
তাদের দাবি—অভিযানে সহিংসতা হয়নি এবং আটক সবাই সুস্থ আছেন। তবে এ ঘটনার পরপরই ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে ব্যাপক গণবিক্ষোভ শুরু হয়।
ডাবলিন, প্যারিস, বার্লিন ও জেনেভার রাস্তায় হাজারো মানুষ নেমে আসে। তারা শ্লোগান দেন—‘গাজা একা নয়”, “ইসরায়েলি পণ্য বর্জন করো’, “ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা চাই।”
আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে লাতিন আমেরিকাতেও; বুয়েনস আইরেস, মেক্সিকো সিটি এবং পাকিস্তানের করাচিতে ইসরায়েলি ব্যবসায় হামলার ঘটনাও ঘটে।
ঘটনার পর কলম্বিয়া সরকার ইসরায়েলি কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে এবং চলমান একটি বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে। তুরস্ক একে সরাসরি “সন্ত্রাসী কার্যক্রম” আখ্যা দিয়েছে।
অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছেন, নৌবাহিনী অবরোধ ভাঙার চেষ্টা ব্যর্থ করেছে এবং দেশবিরোধী প্রচারণা ঠেকিয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত মাসে স্পেনের বার্সেলোনা থেকে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা যাত্রা শুরু করে।
এতে ছিলেন বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্য, চিকিৎসক, আইনজীবী, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীসহ প্রায় ৫০০ জন, যাদের উদ্দেশ্য ছিল অবরোধ ভেঙে গাজার উপকূলে ত্রাণ পৌঁছানো।
ইসরায়েলের পদক্ষেপকে হামাস “সামুদ্রিক সন্ত্রাসবাদ” হিসেবে অভিহিত করেছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষও এর নিন্দা জানিয়েছে।
অন্যদিকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি মন্তব্য করেছেন, এ ধরনের উদ্যোগ ফিলিস্তিনিদের জন্য কার্যকর কোনো সমাধান নয়।
মন্তব্য করুন
