

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গত ১৯ থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে হঠাৎ করেই পাকিস্তানে তুর্কিয়ের বেশ কয়েকটি সামরিক বিমানের আসা-যাওয়া অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্যে দেখা গেছে, ওই তিন দিনে সি-১৩০ এবং এ৪০০এম-এর মতো তুর্কি সামরিক বিমানগুলো পাকিস্তানের বিভিন্ন সামরিক বিমানঘাঁটিতে বারবার ওঠানামা করেছে।
সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা না থাকলেও, ভারতের সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা—পাকিস্তানকে ড্রোন ও নতুন প্রযুক্তি সরঞ্জাম সরবরাহের জন্যই এই তোড়জোড় চলছে।
সম্প্রতি ৭ আগস্ট পাকিস্তান, তুর্কিয়ে ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি যৌথ সামরিক চুক্তি সই হয়। চুক্তিতে বলা হয়েছে, এই তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে তা সবার ওপর আক্রমণ বলে ধরে নেওয়া হবে। চুক্তি সইয়ের পরপরই তুর্কি বিমানের এই ঘন ঘন যাতায়াত ভারতের জন্য নতুন কোনো উদ্বেগের কারণ কি না, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
এর আগে গত বছরের মে মাসে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামের চার দিনের সামরিক লড়াইয়ের সময়ও তুর্কিয়ে ও চীন পাকিস্তানকে অত্যাধুনিক ড্রোন ও আকাশ সুরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে সাহায্য করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে সে সময় ভারতের বিমান বাহিনী নিজস্ব প্রযুক্তি এবং ‘এস-৪০০’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের সব আক্রমণ ব্যর্থ করে দিয়েছিল। সেই লড়াইয়ে ভারত ৩১৪ কিলোমিটার দূর থেকে পাকিস্তানের একটি উচ্চমানের নজরদারি বিমান ভূপাতিত করে বিশ্ব রেকর্ডও গড়েছিল।


