

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যেকনো ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হলেই উত্তাপ বেড়ে যায়। ক্রিকেটে তো বটেই, অন্য খেলাতেও এর ব্যতিক্রম নেই। বক্সিংয়ের রিংয়েও এমন এক মজার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের বক্সার নরেন্দ্র বেরওয়াল। ২০১৫ সালের সেই ঘটনা এবার শুনিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে।
গত রোববার (৯ আগস্ট) কমনওয়েলথ গেমসে পদকজয়ীদের সঙ্গে দেখা করেন মোদী। ৭ নম্বর লোককল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে বেরওয়ালই শোনান পুরোনো সেই গল্পটি।
২০১৫ সালে ওয়ার্ল্ড মিলিটারি গেমসে প্রথম রাউন্ডেই পাকিস্তানের এক বক্সারের মুখোমুখি হয়েছিলেন বেরওয়াল। প্রতিযোগিতাটিতে অংশ নেন সেনাসদস্যরা। তাই পাকিস্তানি প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাকে জিততেই হবে—সেনাকর্তাদের কাছ থেকে এমন নির্দেশই পেয়েছিলেন তিনি।
সেই লড়াইয়ে প্রত্যাশা পূরণ করেছিলেন বেরওয়াল। প্রথম রাউন্ডে ৪-১ এবং দ্বিতীয় রাউন্ডে ৩-২ ব্যবধানে জেতেন তিনি। তবে লড়াইয়ের পর দুজনেরই মুখের কয়েক জায়গায় কেটে যায়। চিকিৎসার জন্য দুজনকে একই গাড়িতে করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। সেই সময়ই বেরওয়ালের সঙ্গে কথা বলেন পাকিস্তানি বক্সার।
পাকিস্তানি বক্সার বলেন, ‘তোমার নাম নরেন্দ্র, তোমার কোচের নাম নরেন্দ্র, তোমার প্রধানমন্ত্রীর নামও নরেন্দ্র। এই নরেন্দ্র নামটার প্রতি আমার ঘৃণা জন্মে গেছে।’ গল্পের এই জায়গায় পৌঁছাতেই হেসে ওঠেন মোদী ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্য পদকজয়ীরা।
রোববারের অনুষ্ঠানে মোদী শুধু বেরওয়ালের গল্পই শোনেননি। মীরাবাই চানু, অস্মিতা দে, সাক্ষী চৌধরী, নীরজ চোপড়া, লভলিনা বরগোহাঁইসহ কমনওয়েলথ পদকজয়ীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। শোনেন তাদের লড়াইয়ের গল্প। দেন আগামী দিনের জন্য শুভেচ্ছা ও উৎসাহ। পরে পদকজয়ীদের সঙ্গে ছবিও তোলেন তিনি।
এবারের কমনওয়েলথ গেমসে ভারত জিতেছে ৩৯টি পদক। এর মধ্যে ১৩টি সোনা, ১৭টি রুপা ও ৯টি ব্রোঞ্জ। সবচেয়ে বেশি পদক পেয়েছে বক্সিং থেকে।


