

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের উসকানির জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে বলে ভারতকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তিনি বলেছেন, ভারতের যেকোনও উসকানির জবাব পাকিস্তান সমান শক্তি ও দৃঢ়তার সঙ্গে, একই ময়দানে দেবে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) কাশ্মীর সংহতি দিবসে আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের আইনসভার বিশেষ অধিবেশনে এসব কথা বলেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন, ‘ভারত যদি কোনও ধরনের উসকানি দেয়, তাহলে পাকিস্তান তার জবাব দেবে সমান ও দৃঢ় শক্তিতে এবং যে ফ্রন্ট থেকে উসকানি আসবে, ঠিক সেখানেই তার পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখানো হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অপমানজনক পরাজয়ের পর ভারত আবারও তার মদদপুষ্ট গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী তৎপরতা জোরদার করেছে। ভারত তাদের আগ্রাসী, সম্প্রসারণবাদী ও আধিপত্যবাদী নীতি পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত এই অঞ্চলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।’
তিনি বলেন, পাকিস্তান শান্তি চায়, তবে তা হবে সমতা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে। তার ভাষায়, ‘মারকা-ই-হক’ কেবল পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদার দক্ষতার বিজয় নয়, এটি কাশ্মীরি জনগণের ত্যাগেরও বিজয়।
কাশ্মীর ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, পাকিস্তান তার রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও নৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখবে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ী কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রাম চলবে বলেও তিনি জানান।
তিনি কাশ্মীরি জনগণের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং বলেন, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়— কাশ্মীরিরা জীবন ও সন্তান বিসর্জন দিতে পারে, কিন্তু স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করে না।
পাকিস্তানের ঐতিহাসিক অবস্থান স্মরণ করে শেহবাজ শরিফ বলেন, কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কাশ্মীরকে পাকিস্তানের ‘গলার শিরা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন, যা আজও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দু।
তিনি বলেন, ভারত তার আধিপত্যবাদী নীতি ত্যাগ না করা পর্যন্ত এবং কাশ্মীরিদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত না করা পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি সম্ভব নয়।
মন্তব্য করুন

