

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


তেল রপ্তানির বিকল্প পথও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সৌদি আরবের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জানা যাচ্ছে, লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে সৌদি আরবের মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিনের তেল মজুত রয়েছে। এর আগে দেশটির ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলার পর ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে সেটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভর না করে তেল রপ্তানির জন্য এটিই ছিল সৌদি আরবের একমাত্র বড় বিকল্প পথ।
আল জাজিরা প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলের ইয়ানবু বন্দরে মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিনের তেল মজুত রয়েছে। তিনটি সূত্র জানিয়েছে, ইয়ানবু বন্দরে সৌদির যে পরিমাণ তেল রয়েছে, তা দিয়ে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের মতো চাহিদা মেটানো সম্ভব। এ ছাড়া মিশরেও সৌদি আরবের কিছু পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে, তবে সেই পরিমাণ তুলনামূলক কম।
মূলত হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদির তেল রপ্তানির যে ব্যবস্থা ছিল, গত বৃহস্পতিবার সকালে দেশটির ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলার পর সেই বিকল্প পথও বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। হামলার পরদিন ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে পাইপলাইনটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভর না করে তেল রপ্তানির জন্য এটিই সৌদি আরবের একমাত্র বড় বিকল্প পথ।
এদিকে সৌদি আরবে হুতিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান। একই সঙ্গে সৌদি আরবকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে ইসলামাবাদ। সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে ফোন করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ফোনালাপে তারা মধ্যপ্রাচ্যের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং উত্তেজনা কমাতে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক ‘মক্কা চুক্তি’ নামে পরিচিত একটি সামরিক জোট প্রতিষ্ঠা করেছে। এর ফলে হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের মিত্ররা সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

