

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লেবাননে চলমান সংঘাত এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তেহরান।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং ইরানের তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। এই দুই শর্ত পূরণ না হলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার অবস্থান বজায় থাকবে।
প্রতিবেদনে একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান বন্ধ না হওয়া এবং ইরানের তেল বিক্রির সুযোগ পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ খুলে দেওয়া হবে না।
এদিকে সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন দফা আলোচনা শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লেক লুসার্ন এলাকায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, কাতার ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।
কাতার বলছে, এই আলোচনা একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তৃত সমঝোতার দিকে অগ্রসর হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে, যেখানে চলমান সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও জানিয়েছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি, ইরানের জব্দ সম্পদ এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনায় বসেছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।
বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী আরব উপদ্বীপ ও ইরানের মধ্যবর্তী একটি সরু জলপথ, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবাহিত হয়। প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল ও অন্যান্য জ্বালানি এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই জলপথে অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের চাপ ও সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে।
