

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের হাত ধরে হাঁটছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে ব্রিকস বিজনেস ফোরামের এমন চিত্র দেখা গেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, ভারত মণ্ডপমে ফোরামের অনুষ্ঠানে ইরানের প্রেসিডেন্টকে হাত ধরে নিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী মোদি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ছবিটি বিভক্ত বিশ্বব্যবস্থার মধ্যে ভারতের অনন্য অবস্থানকে তুলে ধরেছে। একদিকে ইরান ও রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখছে নয়াদিল্লি, অন্যদিকে সব পক্ষের সঙ্গে সংলাপ ও সহযোগিতার সুযোগও খোলা রাখছে। ‘শক্তিশালী’ এই ছবিতে ব্রিকসের সম্প্রসারিত জোটের নেতাদের মধ্যে পারস্পরিক সংহতির বিষয়টিও ফুটে উঠেছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক উন্নয়নে আরও গভীর সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করতেই একত্রিত হয়েছেন তারা।
ইনডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, ছবিটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে এর সময়ের কারণে। ইরান এমন একটি সংঘাতের কেন্দ্রে রয়েছে, যার কারণে জ্বালানি সরবরাহ ও সমুদ্রপথে বাণিজ্য ব্যাহত হয়েছে। অন্যদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়া এখনো পশ্চিমা দেশগুলোর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দুই দেশের সঙ্গেই যোগাযোগের পথ খোলা রেখেছে ভারত। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে নিজেদের কৌশলগত অংশীদারত্বও বজায় রেখেছে নয়াদিল্লি। এই অবস্থানটি প্রধানমন্ত্রী মোদির পেজেশকিয়ানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও স্পষ্ট হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানান।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, বেসামরিক মানুষ, বাণিজ্যিক জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নৌযান চলাচল ও বাণিজ্যের স্বাধীনতা যাতে ব্যাহত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
পুতিনের সঙ্গে আলাদা বৈঠকেও একই ধরনের অবস্থান তুলে ধরেন মোদি। দুই নেতা প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, বাণিজ্য ও কৌশলগত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে ইউক্রেন সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে ভারতের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন মোদি।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ছবিটি ভারতের এই অবস্থানকে তুলে ধরেছে- একদিকে ইরান ও রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা, অন্যদিকে ক্রমেই বিভক্ত হয়ে পড়া বিশ্বে সংলাপ ও সহযোগিতার সুযোগ খোলা রাখা; আর এর কেন্দ্রে রয়েছে ভারত।



