সোমবার
১০ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
১০ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ডাকাতের রানি’ স্লোগান দিয়ে মমতার গাড়িতে হামলা

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৪২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় পুলিশ হেফাজতে মারা যাওয়া এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ ও হামলার শিকার হয়েছেন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ইন্ডিয়া টুডে ও এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার (০৯ আগস্ট) উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ায় এক মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ করেন একদল মানুষ। এ সময় গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর, কাদা ও জুতা ছোড়া হয়। বিক্ষোভকারীরা ‘চোর চোর’ ও ‘ডাকাতের রানি’ স্লোগান দেন।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মমতার কাঁচরাপাড়া সফর ঘিরে বিক্ষোভের পেছনে বিজেপির হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির দাবি, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী উস্কানি দিতেই কাঁচরাপাড়ায় গিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষ তার প্রতিবাদ করেছে।

তবে হামলার জন্য রাজ্য সরকারকে দায়ী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার অভিযোগ, বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের দিয়ে এ হামলা করানো হয়েছে।

মমতা বলেন, ‘নিরাপত্তা ভুলে যান। লুম্পেনদের সুরক্ষা দিচ্ছে পুলিশ! বাংলা তো লুম্পেনদের হাতে চলে গেছে। আমরা কেস করব।’

নিজের গাড়িতে ইট ছোড়ার অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমার মাথা ফেটে যেত। এখানে আমরা মরে যেতাম। পুলিশ বিজেপিকেই প্রোটেকশন দিচ্ছে।’

তবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভে বিজেপির কোনো কর্মী ছিলেন না।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার মমতার কাঁচরাপাড়া সফরে তার সঙ্গে ছিলেন লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন। তারাও বিক্ষোভের মুখে পড়েন এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘শুভেন্দু অধিকারী পুলিশ দিয়ে রাজত্ব চালাচ্ছেন। মাফিয়াদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন।’

এর আগে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) ওকে কাঁচরাপাড়া পৌরসভার তৃণমূলের পদত্যাগী কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওটের স্বামী বিরজু কেওটকে গ্রেপ্তার করে হালিশহর থানার পুলিশ।

গেল শুক্রবার (০৭ আগস্ট) তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। তবে শনিবার পুলিশ হেফাজতে বিরজুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে।

জেনির অভিযোগ, থানার ভেতরে পুলিশের মারধরেই তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন