

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দিল্লির রাইসিনা রোডে স্থাপিত উচ্চ নিরাপত্তার পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে গেছেন বিক্ষোভকারীরা। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিকে ঘিরে সোমবার ভারতের রাজধানী দিল্লিতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, এই ঘটনার দায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে। সেই দাবিতেই আন্দোলনের ডাক দেয় সিজেপি।
এদিকে, আন্দোলনের ২১তম দিনে গত ১৮ জুলাই অনশনরত অবস্থায় বিশিষ্ট অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুককে পুলিশ হেফাজতে নেয়। বর্তমানে তিনি দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোনম ওয়াংচুককে হেফাজতে নেওয়ার ঘটনার পর আন্দোলনকারীরা পার্লামেন্ট অভিমুখে ‘লং মার্চ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিন, সোমবার (২০ জুলাই), এই কর্মসূচি পালিত হয়। সকাল থেকেই রাজধানীর যন্তর মন্তরে হাজারো শিক্ষার্থী, তরুণ নেতা ও বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের কর্মীরা জড়ো হন। সেখান থেকেই তারা ‘সংসদ চলো’ পদযাত্রা শুরু করেন।
বিক্ষোভকারীদের আটকাতে পুরো এলাকা একাধিক স্তরে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে দিল্লি পুলিশ। মোতায়েন করা হয় শত শত নিরাপত্তা কর্মী। মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীরা পার্লামেন্টের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তীব্র ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মধ্য দিল্লির বেশ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ তীব্র লাঠিচার্জ চালিয়েছে বলে জানা গেলেও দিল্লি পুলিশ তা অস্বীকার করেছে।
এক অফিসিয়াল বিবৃতিতে পুলিশ দাবি করেছে, ঘটনাটি পেশাদারত্বের সঙ্গে সামাল দেওয়া হচ্ছে এবং সেখানে কোনো সহিংসতা ঘটেনি। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
সূত্র: দ্য প্রিন্ট


