

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ ও সরকারের দমননীতির প্রতিবাদে আবারও রাজপথে নেমেছেন নেপালের তরুণরা।
কারফিউ জারি থাকা সত্ত্বেও মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে রাজধানী কাঠমান্ডুর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগের দিন সোমবার পুলিশের গুলিতে শুধু কাঠমান্ডুতেই ১৭ জন এবং ইতাহারিতে আরও ২ জন নিহত হন। আহত হয়েছেন চার শতাধিক মানুষ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেন, পুলিশ অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করে আন্দোলন দমন করেছে।
মঙ্গলবার ভোর থেকে কালাঙ্কি, চাপাগাঁও, নতুন বানেশ্বরসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ শুরু হয়। ফেডারেল পার্লামেন্ট ভবনের সামনে সমবেত কয়েকজনকে পুলিশ আটক করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার থেকেই কাঠমান্ডু, ললিতপুর ও ভক্তপুরে কারফিউ জারি রয়েছে। কাঠমান্ডুর রিং রোডের ভেতরে সব ধরনের সমাবেশ ও চলাচল সকাল সাড়ে ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ললিতপুরের ভাইসেপাটি, সানেপা, চ্যাসাল এলাকায় সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কারফিউ বলবৎ রয়েছে। ভক্তপুরেও একইভাবে কঠোর বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। প্রশাসন সব ধরনের সভা, মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি নিষিদ্ধ করেছে।
তবে এসব নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মঙ্গলবার সকালে সংসদ ভবনের সামনে তরুণরা জড়ো হন। এক অংশগ্রহণকারী বলেন, “গতকালের ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়েছে। আমরা শুধু প্রতিবাদ জানাতে এসেছি।”
সোমবারের সহিংসতায় ১৯ জন নিহত হওয়ার পর সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী শিবিরের নেতারা। তাদের মতে, এ ঘটনা সরকারের কঠোর দমননীতির ভয়াবহতা প্রকাশ করেছে।
মন্তব্য করুন
