

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নেপালে ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ এবং সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুরু হওয়া আন্দোলন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৯ জন নিহত ও কয়েকশ মানুষ আহত হয়েছেন।
কাঠমান্ডু পুলিশের মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুঃখজনকভাবে ১৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাছাড়া প্রায় ১০০ জন চিকিৎসাধীন, যাদের মধ্যে পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির নেতৃত্বাধীন সরকার সম্প্রতি ফেসবুক, ইউটিউব ও এক্সসহ ২৬টি প্ল্যাটফর্মে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এর প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলন কাঠমান্ডু থেকে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কারফিউ জারি ও সেনা মোতায়েন করেছে।
পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে রাবার বুলেট, টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ গুলি চালানোয় বহু মানুষ আহত হন। তরুণ বিক্ষোভকারীদের অনেকে জানান, এই আন্দোলন শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নয়, সরকারের দুর্নীতি ও কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধেও।
ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারে সাতজনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। আরও ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, যাদের অধিকাংশের মাথা ও বুকে গুলির আঘাত। এভারেস্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচজন মারা গেছেন, আরও ৫০ জন আহত ভর্তি আছেন, চারজনের অবস্থা গুরুতর। সিভিল হাসপাতালে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। কেএমসি হাসপাতাল ও ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হাসপাতালে একজন করে মারা গেছেন।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও দুর্নীতি দমনের দাবিতে আন্দোলনরতদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হামলা চালায়। এতে বহু হতাহত হন।
স্থানীয় কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, সোমবার সকাল থেকে রাজধানীর বানেশ্বর এলাকায় সবচেয়ে বেশি সহিংসতা ঘটে। বিকেল নাগাদ পুলিশের গুলিতে অন্তত ১৬ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে তারা।
মন্তব্য করুন
