

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নেপালের মদেশ প্রদেশে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভ ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তি এবং শিশুদের সুরক্ষায় আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন রাজনীতিক ও অধিকারকর্মীরা।
নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর গত সপ্তাহে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ।
সিমারা শহরে কয়েক দিন ধরে বিক্ষোভ চলার পর শিশুটির পরিবারের সদস্যরা সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে দুই পক্ষের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি হয়। এতে সরকার গুরুতর অপরাধের আইন পর্যালোচনা এবং শিশুটির স্মরণে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী গৌরী প্রধান এই হামলাকে একটি ‘খুব বেদনাদায়ক ঘটনা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, সরকারের উচিত এই জঘন্য কাজের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দেওয়া এবং ব্যাপক সংস্কারের জন্য গুরুতর প্রচেষ্টা চালানো। তবে তিনি মৃত্যুদণ্ড চালুর দাবির বিষয়ে সতর্ক করেছেন।
এদিকে পুলিশি হেফাজতে থাকা এক কিশোর সন্দেহভাজনের ব্ক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হয়েছে। আর এতে জনগণের মধ্যে ক্ষোভের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পায়। কীভাবে পুলিশের হেফাজতে থাকা ব্যক্তির ফুটেজ ফাঁস হলো তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
বারা জেলার প্রধান জেলা কর্মকর্তা ধর্মেন্দ্র কুমার মিশ্র জানান, তারা এই ফাঁসের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এক পুলিশ সদস্যকে খুঁজে পেয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছেন। তিনি জানান, এই ধরনের বিষয়ের বিরুদ্ধে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে।
নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুলাই মাসের মধ্যে দেশটিতে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের ২৫ হাজার ৫০০টির বেশি অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ২০০ জনেরও বেশি নারী ভুক্তভোগীর বয়স ১০ বছরের কম ছিল।


