

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মাত্র ১৯ মাস বয়সেই ওজন ১৫ কেজি-এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঞ্চল্য তৈরি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার তরুণী মা ক্লো স্যাটন। তাঁর পোস্ট করা একটি ভিডিও ঘিরে দেশজুড়ে চলছে আলোচনা, বিতর্ক আর সন্দেহের ঝড়।
স্যাটনের দাবি, তাঁর সন্তানের বয়স এখন মাত্র ১৯ মাস, কিন্তু ওজন প্রায় ৩৩ পাউন্ড (প্রায় ১৫ কেজি)। ভিডিওটিতে দেখা যায়, তিনি কোলে নিয়ে আছেন এক অস্বাভাবিক বড়সড় শিশুকে-যা দেখেই অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, শিশুটি কি সত্যিই এত বড়, নাকি ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে তৈরি?
ভিডিওটি ইতোমধ্যেই ৮০ লাখেরও বেশি বার দেখা হয়েছে, আর মন্তব্য বিভাগে চলছে নানা মতবিনিময়। কেউ লিখেছেন, এটা নিশ্চয়ই এআই-জেনারেটেড ভিডিও, আবার কেউ বলছেন, যদি সত্যি হয়, তবে সত্যিই অবিশ্বাস্য!
তবে এসব সন্দেহ উড়িয়ে দিয়ে স্যাটন জানান, অনেকে ভাবছেন আমার ছেলে এআই দিয়ে বানানো, কিন্তু সে বাস্তব শিশু-শুধু তার বয়সের তুলনায় একটু বেশি বড়।
স্যাটনের উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, আর ভিডিওতে দেখা যায় শিশুটি তাঁর শরীরের প্রায় অর্ধেক পর্যন্ত উঁচু। দৃশ্যটি দেখে অনেকেই বিস্মিত, ১৯ মাস বয়সে এমন শারীরিক গঠন কীভাবে সম্ভব?
সমালোচনার জবাবে স্যাটন পরে আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যেখানে তাঁর ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার স্বামীর পাশে শিশুটিকে দাঁড় করানো হয়। সেখানে দেখা যায়, শিশুটি সত্যিই লম্বা ও সুঠাম গড়নের।
স্যাটনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, জন্মের পর থেকেই শিশুকে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার দেওয়া হয়, যার ফলে তার শারীরিক বৃদ্ধি দ্রুত হয়েছে। তবে নেটিজেনদের অনেকেই এখনো সেই ব্যাখ্যায় আশ্বস্ত নন। কেউ কেউ মন্তব্য করছেন, ভিডিওর ভিজ্যুয়ালটা এখনও সন্দেহজনক!
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন এমন সময় এসেছে যখন বাস্তব আর ভার্চুয়ালের সীমারেখা ক্রমেই ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। এআই প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহার এই পার্থক্যকে আরও জটিল করে তুলেছে- ক্লো স্যাটনের ভাইরাল ভিডিও সেটিরই সাম্প্রতিক উদাহরণ।
মন্তব্য করুন
