

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৪ সালে জাপানে বিদেশি বাবা-মায়ের ঘরে জন্ম নেওয়া শিশুদের সংখ্যা সর্বকালের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ২০,০০০-এরও বেশি শিশু অ-জাপানি দম্পতির ঘরে জন্ম নিয়েছে, যা মোট নবজাতকের প্রায় ৩ শতাংশ।
অন্যদিকে, জাপানি বাবা-মায়ের সন্তান জন্মের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে, যা জনসংখ্যা পতনের প্রতিচ্ছবি।
বিদেশি নবজাতকরা দুই দলে ভাগ করে স্থানান্তর করা হয়েছে। এক দলকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে পাঠানো হয়েছে, আর অন্য দলকে দক্ষিণ ইসরায়েলের কেরেম শালোমে সরানো হয়েছে। গাজার হাসপাতালগুলোতে মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনি শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা চলছে।
বিদেশি মায়েদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ চীনা, এরপর ফিলিপাইন এবং ব্রাজিলিয়ান। দেশটিতে বৈধ বিদেশি বাসিন্দার সংখ্যা এখন ৩.৯৫ মিলিয়ন, যাদের বেশিরভাগই ২০–৩০ বছর বয়সী এবং স্থায়ীভাবে দেশে বসবাস করছেন।
এই পরিস্থিতি জাপানের অভিবাসন নীতি ও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ডানপন্থী দলগুলো কঠোর অভিবাসন আইন দাবি করছেন, তবে শ্রম সংকট ও ক্ষয়িষ্ণু জনসংখ্যা আরও বেশি অভিবাসনকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, বিদেশি শিশুদের জন্য যথাযথ নীতি ও সহায়তা নিশ্চিত করা না হলে সমাজ বিভক্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কানসাই আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর তোশিহিরু মেনজু বলেন, আমাদের এমন একটি সমাজ তৈরি করতে হবে যেখানে বিদেশি শিশুরা জাপানি ভাষা আয়ত্ত করবে, সমান সুযোগ পাবে এবং তাদের পরিবারকে সমর্থন করতে পারবে।
মন্তব্য করুন