

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধকে সামনে রেখে তেলের বাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলে দাম ব্যারেল প্রতি ১০৮.৭৭ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।
২০২০ সালের করোনা মহামারির পর একদিনের ব্যবধানে তেলের দাম বাড়ার অভিজ্ঞতার পর এটিই নতুন রেকর্ড। গত সপ্তাহে তেলের দাম ২৮ শতাংশ বাড়ার পর এই নতুন লাফ দেখা গেল।
সোমবার (৯ মার্চ) সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
মূলত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যকার চলমান যুদ্ধই তেলের বাজারে এই অস্থিরতার প্রধান কারণ। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুট হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ। দুই পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলার মুখে কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ এই রুট ব্যবহার করতে সাহস পাচ্ছে না। ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
জেপি মর্গানের প্রধান অর্থনীতিবিদ ব্রুস কাসম্যান বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনীতি এখনও মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। আর এই তেল-গ্যাসের অধিকাংশই সরবরাহ হয় হরমুজ প্রণালী দিয়ে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে তেলের দাম ১২০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে তা আবার কমতে পারে। তবে কোনো চূড়ান্ত রাজনৈতিক সমাধান না হলে বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৮০ ডলারে স্থিতিশীল থাকতে পারে।’
কাসম্যানের মতে, এমন পরিস্থিতি চলতি বছরের প্রথমার্ধে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ০.৬ শতাংশ কমিয়ে দিতে পারে এবং ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের দাম ১ শতাংশ বাড়িয়ে দিতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের ফলে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি বিশ্বকে মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
মন্তব্য করুন
