

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষ পর্যায়ে। এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়ে গেছে ‘রাউন্ড অব ৩২’ এর কয়েকটি দল। ফলে ভক্ত-সমর্থকরা এর পরবর্তী রাউন্ডগুলোতে কোন দল কার মুখোমুখি হবে সেই সমীকরণ মেলাতে শুরু করেছেন। আর এই সব সমীকরণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা!
বিশ্বরাজনীতিতে এখন ‘টক অব দ্য টেবিল’ যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান। ফলে বিশ্বকাপের মতো আসরে এই দুই দলের মুখোমুখি লড়াই দেখতে মুখিয়ে আছেন সমর্থকরা!
এবারের বিশ্বকাপে ‘ডি গ্রুপে’ দুই ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই নকআউট নিশ্চিত করেছে। শুধু পরের পর্বে ওঠাই নয়, ‘ডি’ গ্রুপের শীর্ষস্থানও কার্যত নিজেদের করে নিয়েছে তারা। ফলে প্রথম নকআউট ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ হবে অন্য কোনো গ্রুপের তৃতীয় হওয়া দল। সেই কারণেই ইরানের সঙ্গে শেষ ৩২-এ দেখার সম্ভাবনা আর নেই।
অন্যদিকে ইরানের সামনে এখনও কঠিন পরীক্ষা। দুই ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে ‘জি’ গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে। শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ গ্রুপসেরা মিসর। নকআউটে সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে হলে সেই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই ইরানের।
যদি মিসরকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউটে ওঠে ইরান, তাহলে তারাও প্রথম নকআউট ম্যাচ খেলবে অন্য একটি গ্রুপের তৃতীয় হওয়া দলের বিপক্ষে। এরপর দুই দলই নিজেদের ম্যাচ জিততে পারলে শেষ ষোলোতেই হতে পারে বহুল আলোচিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র লড়াই।
রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে এই সম্ভাব্য ম্যাচ ঘিরে আগ্রহ আরও বেড়েছে। বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের অবস্থান নিয়েও তৈরি হয়েছিল নানা জটিলতা। ফিফার নিয়মে ম্যাচ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে হলেও, অবস্থানের অনুমতি না থাকায় প্রতিটি ম্যাচ শেষে দলটিকে ফিরে যেতে হচ্ছে মেক্সিকোতে, যেখানে তারা টুর্নামেন্ট চলাকালে নিজেদের ক্যাম্প গড়েছে।
সবকিছু পরিকল্পনামতো এগোলে ৭ জুলাই সিয়াটলে মুখোমুখি হতে পারে দুই দেশ। তবে তার আগে উভয় দলকেই নিজেদের নকআউট বাধা পেরোতে হবে। এখন দেখার বিষয়, ফুটবলের মঞ্চে সেই বহুল আলোচিত দ্বৈরথের সুযোগ সত্যিই তৈরি হয় কি না।
