

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বল দখল ও আক্রমণে ম্যাচজুড়ে আধিপত্য দেখালেও গোলের দেখা পেল না বেলজিয়াম। রোমেলু লুকাকুর একাধিক প্রচেষ্টা রুখে দেন ইরানের গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ। শেষ পর্যন্ত বেলজিয়ামকে গোলশূন্য ড্রতে আটকে রেখে গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট আদায় করে নেয় ইরান।
রোববার ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচটি ০-০ সমতায় শেষ হয়। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে কিছু সময় ১০ জন নিয়েও খেলতে হয় বেলজিয়ামকে।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে বেলজিয়াম। কেভিন ডি ব্রুইনা ও রোমেলু লুকাকুর নেতৃত্বে একের পর এক আক্রমণ চালায় ইউরোপের দলটি। প্রথম ১৩ মিনিটেই চারটি শট নেয় তারা, তবে ইরানের সংগঠিত রক্ষণ প্রতিটি সুযোগই নষ্ট করে দেয়।
প্রথমার্ধে ম্যাচের সবচেয়ে বড় সুযোগ আসে ইরানের দিক থেকে। ২১ মিনিটে হোসেইন কানানির জোরালো শট দুর্দান্তভাবে রুখে দেন থিবো কোর্তোয়া। নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে বেলজিয়ামকে ম্যাচে রাখেন রিয়াল মাদ্রিদের এই গোলরক্ষক। এরপর ফ্রি-কিক থেকে ইরান বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের চিত্র খুব একটা বদলায়নি। ৫৩ মিনিটে মেহদি তারেমির শট আবারও ঠেকিয়ে দেন কোর্তোয়া। তবে ম্যাচের অন্যতম সেরা মুহূর্ত আসে ৬০ মিনিটে। বক্সের ভেতরে একাধিক রিবাউন্ডের পর ম্যাক্সিম ডি কুইপার জোরালো শট নিলে অসাধারণ প্রতিক্রিয়ায় সেটি ঠেকিয়ে দেন বেইরানভান্দ। তার সেই সেভ ম্যাচের গতি নির্ধারণ করে দেয়।
৬৬ মিনিটে বেলজিয়াম বড় ধাক্কা খায়। ডিফেন্ডার নাথান এনগয় ভুল করে মেহদি তারেমিকে ফাউল করলে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন তিনি। ফলে বাকি সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় বেলজিয়ামকে।
একজন বেশি খেলেও ইরান ব্যবধান গড়তে পারেনি। অন্যদিকে কম খেলোয়াড় নিয়েও বেলজিয়াম শেষ পর্যন্ত আক্রমণ চালিয়ে যায়। তবে বেইরানভান্দের অনবদ্য গোলকিপিং এবং ইরানের শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়।
পরিসংখ্যানে বেলজিয়ামের আধিপত্য স্পষ্ট ছিল—২৩টি শটের মধ্যে ৭টি লক্ষ্যে থাকলেও প্রতিবার বাধা হয়ে দাঁড়ান বেইরানভান্দ। তিনি একাই করেন ৭টি গুরুত্বপূর্ণ সেভ।
শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্রয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে দুই দল। এই ফলাফলে ‘জি’ গ্রুপের সমীকরণ আরও জটিল হয়ে উঠেছে, আর শেষ ষোলোতে ওঠার লড়াই জমে উঠেছে।
