

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অবশেষে পশ্চিমবঙ্গের লেকটাউন থেকে বিশ্বনন্দিত তারকা ফুটবলার লিয়োনেল মেসির আলোচিত মূর্তিটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (১ জুন) দুপুরে হাইড্রেলিক ক্রেনের মাধ্যমে ৭০ ফুট উঁচু এই মূর্তিটিকে নামিয়ে নেয় রাজ্যের পূর্ত দপ্তর।
তবে সরানোর সময় মূর্তির যেন কোনো ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করতে বলেছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। সেই নির্দেশ মেনেই কাজ হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পিডব্লিউডির ইঞ্জিনিয়ার।
এর কয়েক দিন আগে প্রায় ৭০ ফুট উঁচু মূর্তিটিকে বাতাসে দুলতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছিল। মূলত এর পরপরই ওই এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়।
এছাড়াও, মেসির মূর্তিটি বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল বিশেষজ্ঞদের রিপোর্টেও। তার ওপর ভিত্তি করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ দুপুরে পাটাতন থেকে মূর্তি খুলে ক্রেনের সাহায্যে ট্রাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর এটি পূর্ত দপ্তরের তত্ত্বাবধানেই থাকবে বলে জানানো হয়েছে। তবে পরবর্তীতে মূর্তিটির কী করা হবে বা কোথায় স্থাপন করা হবে তা নিয়ে চূড়ান্ত কিছু এখনও জানা যায়নি।
প্রশাসনিক সূত্র বলছে, নীচের প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা কমিয়ে পুনরায় একই জায়গায় বসানো হতে পারে মূর্তিটি। এর পাশাপাশি সেটিকে ইকো পার্কে স্থানান্তরের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
পূর্ত দপ্তরের ঠিকাদার প্রবীর পাল এর আগে লেকটাউনে মূর্তিটি পরিদর্শন করে বলেছিলেন, মূর্তির ‘ফাউন্ডেশন বোল্ট’-এ সমস্যা আছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তারা বিষয়টি জানিয়েছেন।
প্রবীর পাল আরও দাবি করেছিলেন, মূর্তিটি বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। যে কোনো সময় এটি পড়ে যেতে পারে। তাই ওই এলাকা থেকে মূর্তিটি সরিয়ে নেওয়া উচিত বলেই মনে করছেন তিনি।
এর আগে, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে মেসির কলকাতা সফরের সময়ে এই মূর্তিটি উন্মোচন করা হয়েছিল। তখন নিজ হাতে রিমোটের বোতাম চেপে মূর্তিটি জনসাধারণের সামনে উন্মোচন করেছিলেন মেসি।
