

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৩-১ গোলের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে শুধু সুইজারল্যান্ডের অভিযানই শেষ হয়নি, শেষ হয়েছে দেশটির ফুটবলের একটি স্মরণীয় অধ্যায়েরও। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে জাতীয় দলের নেতৃত্ব দেওয়া গ্রানিত জাকার বিশ্বকাপ যাত্রাও সম্ভবত এখানেই থেমে গেল।
সুইজারল্যান্ডের যে প্রজন্ম আন্তর্জাতিক ফুটবলে ধারাবাহিকভাবে নিজেদের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল, জাকা ছিলেন সেই দলের শেষ সক্রিয় মুখ। জেরদান শাকিরি, ইয়ান সোমার, স্টেফান লিচস্টাইনার ও ফ্যাবিয়ান শারের মতো সতীর্থরা আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নেওয়ার পরও জাতীয় দলের নেতৃত্ব ধরে রেখেছিলেন এই মিডফিল্ডার।
ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপে খেলতে নেমে ব্যক্তিগতভাবেও একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের সাক্ষী হন জাকা। তার নেতৃত্বে ৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় সুইজারল্যান্ড, যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য।
শেষ আটের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এক পর্যায়ে ১০ জনের দলে পরিণত হলেও হাল ছাড়েনি সুইসরা। অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছিল তারা। তবে শেষ পর্যন্ত পরাজয় এড়ানো সম্ভব হয়নি।
পরবর্তী বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ২০৩০ সালে। তখন জাকার বয়স হবে ৩৮ বছর। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় অনেকের ধারণা, বিশ্বকাপের মঞ্চে এটিই ছিল সুইস অধিনায়কের শেষ উপস্থিতি।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নেতৃত্ব, লড়াকু মানসিকতা এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দিয়ে গ্রানিত জাকা সুইজারল্যান্ডের আধুনিক ফুটবল ইতিহাসে নিজের নাম স্থায়ীভাবে লিখে রেখেছেন। বিশ্বকাপের বিদায়ের সঙ্গে হয়তো শেষ হলো এক খেলোয়াড়ের অধ্যায়, তবে তার অবদান সুইস ফুটবলে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
