

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ এইচে সোমবার উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের ম্যাচে দেখা যাবে ভিন্ন এক দৃশ্য। ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ইতালিয়ান রেফারি মরিজিও মারিয়ানি ও তার দল পরবেন ‘ফ্লেমিঙ্গো গোলাপি’ রঙের জার্সি।
আয়োজক শহর মায়ামিকে সম্মান জানাতেই নেওয়া হয়েছে এই উদ্যোগ। যা আবার মিলে যাচ্ছে ইন্টার মায়ামি ক্লাবের জার্সির সঙ্গে। যেই ক্লাবে খেলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি।
বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়া ১৭০ জন ম্যাচ অফিসিয়ালের একজন মারিয়ানো। কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে চলমান এই আসরে ম্যাচ অফিসিয়ালদে বেস ক্যাম্প মায়ামিতে। প্রায় দুই মাস সেখানেই থাকবেন তারা।
এ কারণেই শহরটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এমন উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা। ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা ও রেফারিজ কমিটির চেয়ারম্যান পিয়েরলুইজি কলিনা বলেছেন, ‘মায়ামি আমাদের বেস ক্যাম্প। তাই যে শহরে আমরা প্রায় দুই মাস থাকব, তাকে বিশেষভাবে সম্মান জানাতে চেয়েছি।’
দক্ষিণ ফ্লোরিডার শহর মায়ামির সঙ্গে গোলাপি রঙের সম্পর্ক বেশ গভীর। একসময় এ অঞ্চলে প্রচুর ফ্লেমিঙ্গো পাখি দেখা যেত। এছাড়া শহরটির বিখ্যাত গোলাপি আভাযুক্ত সূর্যাস্ত ও আর্ট ডেকো স্থাপত্যও মায়ামির পরিচয়ের অংশ হয়ে উঠেছে।
কলিনা বলেন, ‘রেফারিদের প্রশিক্ষণ সামগ্রীর জন্য আমরা এই ‘পিঙ্ক ফ্লেমিঙ্গো’ রঙ বেছে নিয়েছি। এটা এক ধরনের স্বীকৃতি। আর মায়ামিতে অনুষ্ঠিত প্রথম ম্যাচ- ১৫ জুন উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের লড়াইয়ে রেফারি এই বিশেষ জার্সি পরবেন।’
মায়ামি শহরের সঙ্গে ‘পিঙ্ক ফ্লেমিঙ্গো’ রঙের সম্পর্ক বহু দিনের। তবে বিশ্বকাপে রেফারিদের জন্য বেছে নেওয়া গোলাপি জার্সি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে অন্য কারণে।
ফিফার অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, গোলাপি রঙের সঙ্গে কালো বর্ডার দেওয়া জার্সিটির নকশা অনেকটাই মিলে যায় মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামির জার্সির সঙ্গে।
সম্প্রতি মায়ামিতে ম্যাচ অফিসিয়ালদের সঙ্গে দেখা করেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তিনিও এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।
‘গোলাপি মায়ামির রং। আমরা সবাই এই সুন্দর গোলাপি পোশাক পরে শহরটিকে ছোট্ট একটি শুভেচ্ছা ও হাসি উপহার দিতে চাই, যে শহরটি আমাদের আতিথেয়তা দিচ্ছে।’
তবে ইন্টার মায়ামির জার্সির রঙে রেফারিদের জার্সি পরানো আবার উরুগুয়ের ভালো নাও লাগতে পারে। কারণ মায়ামির সবচেয়ে বড় তারকা মেসি আর তার দেশ আর্জেন্টিনার সঙ্গে রয়েছে উরুগুয়ের দীর্ঘ সময়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
ট্রান্সফারমার্কটের তথ্য অনুযায়ী, মেসি ও আর্জেন্টিনা দলের মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পলসহ মায়ামির ১১ জন খেলোয়াড়ের আর্জেন্টাইন নাগরিকত্ব রয়েছে। ক্লাবটির অন্তর্বর্তীকালীন কোচ গুইলের্মো হয়োসও আর্জেন্টাইন। তার তিন সহকারীও একই দেশের।
অন্যদিকে, ইন্টার মায়ামিতে উরুগুয়ের খেলোয়াড় আছেন মাত্র দুজন। তাদের একজন লুইস সুয়ারেজ, যিনি এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ক্লাবের অন্য উরুগুইয়ান খেলোয়াড় ম্যাক্সিমিলানো ফ্যালকন এখনও উরুগুয়ের হয়ে অভিষেকের সুযোগ পাননি।
