

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আক্রমণ–পাল্টা আক্রমণের দ্রুতগতির লড়াইয়ে জমে উঠেছিল জাপান ও নেদারল্যান্ডসের প্রথমার্ধ। দুই দলই একাধিকবার প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি কেউ। ফলে বিরতিতে ম্যাচটি যায় গোলশূন্য সমতায়।
প্রথমার্ধের সবচেয়ে কাছাকাছি সুযোগটি তৈরি হয় ৩৪তম মিনিটে। ডাচ ফরোয়ার্ড ডনিয়েল মালেনের কর্নার থেকে নেওয়া জোরালো হেড লক্ষ্যভেদ করতে যাচ্ছিল, তবে অসাধারণ প্রতিক্রিয়ায় সেটি ফিরিয়ে দেন জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি। তাঁর সেই সেভই জাপানকে নিশ্চিত গোল হজম থেকে রক্ষা করে।
গোল না হলেও প্রথমার্ধে একটি উল্লেখযোগ্য রেকর্ড গড়ে নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ডাচদের শুরুর একাদশে ছিল না দেশের শীর্ষ লিগে খেলা কোনো ফুটবলার। অন্যদিকে জাপানের শুরুর একাদশে ছিলেন দুইজন—আয়াসে উয়েদা ও সুয়োশি ওয়াতানাবে, যারা জাপানি লিগেই খেলেন।
নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইকের জন্যও ম্যাচটি ছিল বিশেষ মাইলফলক। লিভারপুলের এই ডিফেন্ডার ২০২৫–২৬ মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৬৬তম ম্যাচে নামেন, যার প্রতিটিতেই তিনি ছিলেন শুরুর একাদশে। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের খেলোয়াড়দের মধ্যে এটি চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড।
