

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ৭–১ জয়ের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এলো। এবার সেই একই ব্যবধানে কুরাসাওকে উড়িয়ে দিল জার্মানি। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ৭–১ গোলে জয় পায় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
রোববার দিবাগত রাতে (১৪ জুন) হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে কুরাসাওকে চাপে রাখে জার্মানরা।
প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় জার্মানি। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে বিরতির আগেই তিনবার কুরাসাওয়ের জালে বল পাঠায় তারা। মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত পাসিং আর ধারাবাহিক চাপ—সব মিলিয়ে কুরাসাও রক্ষণভাগ প্রথমার্ধেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
বিরতির পর মাঠে নেমেই আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় জার্মানি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে ইউরোপের দলটি।
৫২ মিনিটে ইয়োশুয়া কিমিখের বাড়ানো বল ধরে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে নিজের নাম স্কোরশিটে তোলেন জামাল মুসিয়ালা। তাঁর গোলে ব্যবধান আরও বাড়ে জার্মানির।
এরপর কুরাসাওয়ের রক্ষণ আর জার্মান আক্রমণের গতি সামলাতে পারেনি। ৬৮ মিনিটে লেফটব্যাক নাথানিয়েল ব্রাউন আক্রমণে উঠে এসে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে দলের পঞ্চম গোলটি করেন।
গোল উৎসব চলতেই থাকে। ৭৮ মিনিটে ডেনিজ উনদাভ গোল করে ব্যবধান ৬–১ করেন। একের পর এক আক্রমণে পুরোপুরি কোণঠাসা হয়ে পড়ে কুরাসাও।
শেষদিকে ম্যাচে ফের ২০১৪ সালের সেই স্মৃতি উঁকি দেয়, যখন ব্রাজিলকে ৭–১ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল জার্মানি। সেই স্কোরলাইনের পুনরাবৃত্তি হয় এবারও। ম্যাচের ৮৮ মিনিটে সপ্তম গোলটি করেন কাই হাভার্টজ—এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় গোল।
পুরো ম্যাচজুড়ে দাপট দেখিয়ে কুরাসাওকে কোনোভাবেই ম্যাচে ফিরতে দেয়নি জার্মানি। প্রথম ম্যাচেই বড় জয় তুলে নিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তার বার্তা স্পষ্ট করে দেয় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
