

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচিংয়ে আবারও ফেরার সুযোগ পেলে দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেছেন, ‘বিসিবি যদি মনে করে তিনি জাতীয় দলের জন্য উপযুক্ত এবং তাকে প্রস্তাব দেয়, তাহলে দায়িত্ব নিতে আপত্তি নেই।’
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন সুজন।
বাংলাদেশ দলের কোচ হিসেবে এর আগেও কাজ করেছেন সুজন। তবে কোনো সময়ই দীর্ঘমেয়াদি বা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পাননি তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে কোচিং প্যানেলে কয়েকজন দেশি কোচকে যুক্ত করা হলেও সেখানে জায়গা হয়নি সুজনের।
আপাতত বিসিবি তাকে যে পরামর্শকের দায়িত্ব দিয়েছে সেখানেই মনোযোগ সুজনের, ‘এখন তো একটা দায়িত্ব দিয়েছে প্রেসিডেন্ট- গেম ডেভেলপমেন্টের কনসালটেন্ট। উনি হয়ত ভেবেছে, আমি এখানে অবদান রাখতে পারব। আমাকে যোগ্য মনে করার জন্য তাকে ধন্যবাদ। আমি যতটা সম্ভব অবদান রাখার চেষ্টা করব। ফাহিম এখানে চেয়ারম্যান, তার সঙ্গেও আমার কাজের অভিজ্ঞতা আছে।’
মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের সঙ্গে নাকি সুজনের সম্পর্ক ভালো নয়। সুজন অবশ্য এমন দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন, ‘এটা তো মানুষ বলে। কী ঝামেলা? আমি আর সালাউদ্দিন তো এটা মনে করি না। ছোট বেলা থেকে দুজন দুজনকে ভালোভাবে চিনি, একসঙ্গে খেলেছি। এরপর দুজনই কোচিংয়ে এসেছি। ওর সঙ্গে সবসময় আমার সুসম্পর্ক।’
সুজন বলেন, ‘সে কোচ হিসেবে নিজেকে অনেক পরিণত করেছে, অনেক বড় পরিসরে কোচিং করাচ্ছে। আমার মনে হয় না তার সঙ্গে কখনও কোনো সমস্যা ছিল। সালাউদ্দিনই এটা বলবে। আমাদের সবসময়ই কথা হয়, ফোনেও কথা হয়।’
কোচিং ক্যারিয়ারে দুজন ভিন্ন দলের দায়িত্ব পালন করেছেন, সাফল্যও পেয়েছেন। কখনো সালাউদ্দিনের দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, কখনো সুজনের দল। তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কখনো ব্যক্তিগত সম্পর্কে প্রভাব ফেলেনি বলেই দাবি তার।
সুজনের ভাষায়, ‘কখনও সে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, কখনও আমি। এটার জন্য তো সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কথা না। বরং সে ভালো করলে আমি খুশি হই।’

