

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপে গ্রুপ ‘এ’-র ম্যাচে বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কল্যাণে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৫ রানের জয় পেয়েছে পাকিস্তান। এতে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হারায় থাইল্যান্ডের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। থিপাতচা পুত্তাওংয়ের বোলিংয়ে প্রথম দুই ওভারের মধ্যেই শাওয়াল জুলফিকার ও গুল ফিরোজাকে হারায় তারা। আয়েশা জাফরও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ফলে পাওয়ারপ্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩২ রান তোলে পাকিস্তান।
সেখান থেকে দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেন মুনিবা আলী ও সাদাফ শামাস। চতুর্থ উইকেটে দুজনের ৫৪ রানের জুটি পাকিস্তানকে বিপদ থেকে বের করে আনে। শামাস ২০ রান করে ফিরে গেলেও মুনিবা নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ৫৪ রানে স্টাম্পড হন তিনি।
পাকিস্তানের ইনিংসে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন থাইল্যান্ডের সুলেপর্ন লাওমি। ১৪ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন তিনি। তবে শেষ দিকে উম্মে-ই-হানি ও তুবা হাসানের কার্যকর অবদানে ২০ ওভারে ১১৯ রান পর্যন্ত পৌঁছে যায় পাকিস্তান।
লক্ষ্যটা ছিল ১২০। কিন্তু রান তাড়ায় শুরু থেকেই থাইল্যান্ডকে আটকে রাখে পাকিস্তানের বোলিং। সাদিয়া ইকবাল নতুন বলে জোড়া উইকেট তুলে নেওয়ার পর থাইল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে আর স্বস্তি ফেরেনি।
নাথ্থাকান চান্থাম ও নারুয়েমোল চাইওয়াই মিলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিলেন। তবে রান তোলার গতি ছিল খুবই কম। চান্থামকে নাশরা সান্ধু ফেরানোর পর থাইল্যান্ডের ওপর চাপ আরও বাড়ে। এরপর ১৭ রানে চাইওয়াইকে ফিরিয়ে দেন তুবা হাসান।
এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি থাইল্যান্ড। পাকিস্তানের স্পিনারদের সামনে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৮৪ রানেই শেষ হয় তাদের ইনিংস।
ব্যাট হাতে বড় সংগ্রহ না পেলেও বোলারদের সম্মিলিত পারফরম্যান্সে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় পাকিস্তান। ৩৫ রানের এই জয় এশিয়া কাপে তাদের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


