বৃহস্পতিবার
১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ২৩ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামছে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালের পর দেশটিতে আর কোনো টেস্ট ম্যাচ খেলা হয়নি টাইগারদের।

সেই দীর্ঘ বিরতি শেষে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস হেরে আগে ফিল্ডিং করছে বাংলাদেশ।

টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। টস হেরে অবশ্য হতাশ নন বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

টসের সময় তিনি জানান, শুরুতে উইকেটে থাকা আর্দ্রতা কাজে লাগিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের চাপে ফেলতে চান বাংলাদেশ। তিন পেসার ও দুই স্পিনার নিয়ে বোলিং আক্রমণ সাজিয়েছে বাংলাদেশ।

তাসকিন আহমেদের সঙ্গে আছেন হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেন। স্পিন আক্রমণের নেতৃত্বে আছেন তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ওপেনিংয়ে তানজিদ হাসান তামিমের ওপরই ভরসা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তাঁর সঙ্গে আছেন সাদমান ইসলাম। মিডল অর্ডারে মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসকে পালন করতে হবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

অন্যদিকে অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বে প্রায় আট মাস পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরছে অস্ট্রেলিয়া। দীর্ঘদিন পর টেস্ট দলে ফিরেছেন জশ হ্যাজলউড। গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের পর হ্যামস্ট্রিং ও গোড়ালির চোটে মাঠের বাইরে ছিলেন এই পেসার। তাঁর ফেরায় জায়গা হয়নি স্কট বোল্যান্ডের। গত অ্যাশেজে দুর্দান্ত পারফর্ম করা বোল্যান্ড পাঁচ টেস্টেই নিয়েছিলেন ৩১ উইকেট।

হ্যাজলউডকে ফেরানোর মধ্য দিয়ে এক বছরেরও বেশি সময় পর আবারও একসঙ্গে মাঠে দেখা যাবে কামিন্স, স্টার্ক ও হ্যাজলউডকে। অস্ট্রেলিয়ার এই পেসত্রয়ী দীর্ঘদিন ধরেই দলের বোলিং আক্রমণের মূল শক্তি।

অ্যাশেজে চোট পাওয়া নাথান লায়নও ফিরেছেন একাদশে। গত ডিসেম্বরে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের পর অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছিল অভিজ্ঞ এই স্পিনারকে। সুস্থ হয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট দিয়েই আবারও লাল বলের ক্রিকেটে ফিরছেন তিনি।

অলরাউন্ডার হিসেবে একাদশে জায়গা পেয়েছেন ক্যামেরন গ্রিন ও বো ওয়েবস্টার। ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার ভরসা ট্রাভিস হেড, মারনাস লাবুশেন ও স্টিভ স্মিথের ওপর।

দীর্ঘ সময় পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ফেরার এই সিরিজে দুই দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের সামনে ব্যক্তিগত মাইলফলক স্পর্শের সুযোগও রয়েছে। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের সামনে অপেক্ষা করছে ৭ হাজার টেস্ট রানের হাতছানি।

এদিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির অপেক্ষায় আছেন স্টিভেন স্মিথ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষেই এখনো টেস্ট সেঞ্চুরি করতে পারেননি তিনি। জশ হ্যাজলউডও অপেক্ষায় আছেন ৩০০ উইকেটের। টেস্ট ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত তাঁর শিকার ২৯৫ উইকেট।

মিচেল স্টার্কও এই সিরিজে রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন। ১০৫ টেস্টের ২০২ ইনিংসে বোলিং করে বাঁহাতি এই পেসারের ঝুলিতে রয়েছে ৪৩১ উইকেট। আর নয়টি উইকেট পেলেই ভারতের কিংবদন্তি কপিল দেবের ৪৩৪ উইকেট ছাড়িয়ে যাবেন স্টার্ক। ১০ বা তার বেশি উইকেট পেলে তিনি পেছনে ফেলবেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক পেসার ডেল স্টেইনের ৪৩৯ উইকেটকেও।

বাংলাদেশ একাদশ

নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, লিটন দাস, হাসান মাহমুদ, এবাদত হোসেন ও তাসকিন আহমেদ।

অস্ট্রেলিয়া একাদশ

প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), ট্রাভিস হেড, জেইক ওয়েদারাল্ড, মারনাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি, বো ওয়েবস্টার, মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজলউড।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank