

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পাকিস্তান ক্রিকেটের পরিচিত মুখ ও নিবেদিতপ্রাণ সমর্থক আবদুল জলিল, যিনি ‘চাচা ক্রিকেট’ নামে সবার কাছে জনপ্রিয়, অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ৭৬ বছর বয়সী এই ভক্তকে আর মাত্র দুটি সিরিজে গ্যালারিতে দেখা যাবে।
চাচা ক্রিকেট প্রথমবার পাকিস্তানের খেলা মাঠে বসে দেখেন ১৯৬৮-৬৯ সালে, লাহোরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি ম্যাচে। তখন তার বয়স ছিল প্রায় ১৯ বছর। সেই শুরু থেকে ধীরে ধীরে তিনি পাকিস্তান দলের নিয়মিত সফরসঙ্গী হয়ে ওঠেন এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়ে দলকে সমর্থন জানিয়েছেন।
শনিবার রাওয়ালপিন্ডিতে শুরু হতে যাওয়া পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ হবে দেশের মাটিতে তার শেষ উপস্থিতি। এরপর বছরের শেষ দিকে ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজে শেষবারের মতো গ্যালারিতে বসে দলকে উৎসাহ দেবেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশ থেকে সংগ্রহ করা ক্রিকেট স্মারক নিয়ে একটি জাদুঘর গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন চাচা ক্রিকেট। ক্রিকইনফোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বছরের পর বছর ধরে সংগ্রহ করা স্মারকগুলো তিনি সেই জাদুঘরে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করতে চান। একই সঙ্গে পাকিস্তান দলের ৫০০ ম্যাচে উপস্থিত থেকে সমর্থন দেওয়ার লক্ষ্য পূরণ করতে পেরে সন্তুষ্টিও প্রকাশ করেন তিনি।
পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সঙ্গী হয়ে প্রায় ৬ দশক এক মাঠ থেকে আরেক মাঠে চষে বেড়িয়েছেন তিনি। তার জন্য কী অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে? জলিল বলেন, ‘আমি সবকিছু করেছি শুধুমাত্র খেলা ও নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকে। আমার লক্ষ্য ছিল দেশের একজন ভালো দূত হওয়া এবং দুই দলের সমর্থকদের আনন্দ দেওয়া। অবসরের পর কিছু সমাজসেবামূলক কাজও করতে চাই।’
পাকিস্তান ক্রিকেটের প্রসঙ্গ আসলে ভারতের সঙ্গে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা এড়ানো যায় না। টিম ইন্ডিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্মৃতি চেতন শর্মাকে মারা জাভেদ মিয়াঁদাদের ছক্কা। জলিল ওই ম্যাচ মাঠে বসে দেখেছেন। তিনি বলেন, ‘১৯৮৬ সালে মিয়াঁদাদ যখন চেতন শর্মাকে শেষ বলে ছক্কা মারল, আমি মাঠে উপস্থিত ছিলাম। এখনও স্পষ্টভাবে মনে করতে পারি, তিনি কীভাবে বলটি ডিপ মিডউইকেটের ওপর দিয়ে পাঠিয়েছিলেন।
