

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হতাশা কাটিয়ে নতুন করে পথচলা শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। বিশ্বকাপ শেষে দুই দলের প্রথম দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হওয়ায় তিন ম্যাচের এই ওয়ানডে লড়াইকে ঘিরে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে। সিরিজের প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে, শুরু দুপুর সোয়া দুইটায়।
বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর পাকিস্তান দলে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন ছয়জন অনভিষিক্ত ক্রিকেটার। অন্যদিকে প্রায় তিন মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ দল।
দলের কোচিং স্টাফের মতে, ব্যাটিং ও বোলিং—দুই ইনিংসের মধ্যভাগে আরও ধারাবাহিকতা দরকার বাংলাদেশের। সে কারণেই মিডল অর্ডারে কিছু নতুন সমন্বয় করা হয়েছে। এই সিরিজে আবারও দলে ফিরেছেন লিটন দাস ও আফিফ হোসেন।
সবশেষ সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয় পেলেও তার আগে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের কাছে সিরিজ হেরেছিল বাংলাদেশ। তাই ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভালো শুরু করতে চায় স্বাগতিকরা।
বোলিং বিভাগে বাংলাদেশের ভরসা পেসার তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। তাদের সঙ্গে আছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। স্পিন বিভাগে দায়িত্বে থাকবেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তানভীর ইসলাম। প্রয়োজনে পেস আক্রমণে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানাকে।
অন্যদিকে পাকিস্তান দলে নতুন মুখের উপস্থিতিই সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ছয়জন অনভিষিক্ত ক্রিকেটারের মধ্যে চারজনই টপ অর্ডারের ব্যাটার। তাদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত নাম সাহিবজাদা ফারহান, যিনি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন। ওপেনিংয়ে তার সঙ্গে দেখা যেতে পারে শামিল হোসেন ও মাজ সাদাকাতকে।
পাকিস্তানের অনভিজ্ঞ টপ অর্ডারের সুযোগ নিতে পারলে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে নতুন বলে তাসকিন ও মোস্তাফিজ শুরুতেই চাপ তৈরি করতে পারলে ম্যাচে সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে পারবে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন
