

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ অন্যান্য বেশ কিছু শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘অনবরত ট্যাগ দিয়ে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে’।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন তিনি।
শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী লেখেন, ‘সারাদিন বাসা সিফটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। একটা বাসা পরিবর্তন করে আরেকটা বাসা গুছিয়ে ওঠা কী পরিমাণ কষ্টের কাজ, তা আর নতুন করে বলার দরকার নেই। ক্লান্ত হয়ে ঘুমাতে যাবো, কোন দুঃখে আমি একটু ফেসবুকে ঢুকলাম... এখানে চলছে আরেক কাণ্ড!
তিনি লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র, তাদের মধ্যে একজন আবার শিবির সমর্থক অথবা শিবির করে, এরা ক্লাসের মেয়েদের নিয়ে অনেক আজেবাজে কথা লিখেছে। সাথে এই হ্যারাসমেন্টের লিস্টে আমিও আছি। আমি ফেসবুকে ঢুকে এই সম্পর্কে অবগত হলাম। একজন ছাত্র থেকে তার/তাদের ডিটেইলস নিলাম, কম্পলেইন করার জন্য। সিদ্ধান্ত নিলাম আমার এন্ড থেকে যা যা করা যায়, to take measures against them, I will. কিন্তু সকালটা হতে দিতে হবে তোহ!
এই শিক্ষিকা আরও লেখেন, অনবরত আমাকে ট্যাগ দিয়ে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে। টিপ্পনী কেটে, কথা শোনানো হচ্ছে। তাও আবার ঢাবির ছেলেরাই। পলিটিকাল রাইভেল যেহেতু, তার ওপর, আমি যেহেতু আগে শিবিরকে ভালো বলেছি। তাই আমাকে এখন আবার নতুন করে নাজেহাল না করলে কি রাত কাটবে?
সবশেষে তিনি লেখেন, এরা হয় ডাইরেক্ট হ্যারাস করবে, নয়তো ইন্ডাইরেক্টলি। but all they need is an issue to harass a woman, regardless of who she is. এদের নাকি আমি আবার পড়াই! What a joke! Sometimes I truly feel that I must really badly desperately need this job and this earning, otherwise why continue teaching such people! I so wish I could switch jobs. Maybe someday I will.


