

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ বাংলা ১২ মাসের নাম বলতে গিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখে এক আলাপচারিতায় তাকে বাংলা ১২ মাসের নাম জিজ্ঞেস করা হলে তিনি ধারাবাহিকভাবে ও পূর্ণাঙ্গভাবে মাসের নামগুলো বলতে ব্যর্থ হন।
বাংলা ১২ মাসের নাম জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘বাংলা ১২ মাসের নাম আষাঢ়, জ্যৈষ্ঠ, শ্রাবণ, আশ্বিন, কার্তিক, পৌষ, মাঘ, অগ্রহায়ণ, ভাদ্র... হয়ে গেছে? হয়েছে? ফাল্গুন, ১২টা হয়েছে?’
এছাড়া মোসাদ্দেক বলেন, আমাদের হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলা সাহিত্যের অনেক বড় বিজ্ঞ পণ্ডিত। তিনি একটা বই লিখেছিলেন, একটা প্রবন্ধ লিখেছিলেন, যে প্রবন্ধের নাম তিনি দিয়েছিলেন ‘তৈল’। এই ‘তৈল’ প্রবন্ধের আলোকে কতভাবে তৈল দেওয়া যায় তা নিয়ে লেখা।
তিনি আরও বলেন, এমন এমন বিষয় আছে যেটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী লিখে দিতে পারেননি, কিন্তু এদেশের মানুষ তৈলশিল্পকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে যেতে তারা এগুলো আবিষ্কার করে ফেলেছে। তারা যখন যে ক্ষমতায়, সে ফ্যাসিবাদী হোক বা স্বৈরাচারী হোক, তাকে তোষণ করার একটি মানসিকতা সমাজের কিছু কিছু মানুষের মধ্যে দেখা যায় এবং এই তোষণ করার মাধ্যমে তারা কিছু কিছু হাসিল করতে চায়।
পহেলা বৈশাখের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ বলেন, এটি কখনো কৃষকের চোখের জল, আবার কখনো কৃষকের মুখের হাসি। তবে বাঙালির অন্যতম প্রধান উৎসব পহেলা বৈশাখ নিয়ে কথা বললেও খোদ বাংলা মাসগুলোর নাম সঠিকভাবে বলতে না পারায় তার সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তার এমন অসংলগ্ন উত্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে একটি ছাত্র সংসদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে বাংলা মাসের নাম বলতে না পারা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
মন্তব্য করুন
