

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিজের ফেসবুকে শুকরিয়া আদায় করে নিজের ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
রোববার (৮ মার্চ) ৭টা ২৩ মিনিটে তিনি এ-সংক্রান্ত পোস্ট দেন।
ওই পোস্টে আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ।’
আসিফ মাহমুদের স্ট্যাটাসটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। পোস্টটি দেওয়ার পর ৭০ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন, প্রায় ৪ হাজার কমেন্টেস ও তিন শতাধিক শেয়ার হয়েছে।
তবে, ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তারের জন্য তিনি এই পোস্ট দিয়েছেন কি না। তা নিশ্চিত করেননি তিনি।
এদিকে শনিবার (৭ মার্চ) রাতে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।
এতে বলা হয়, গোপন ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্য ছিল যে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি, হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর অপরাধ করার পর দুই বাংলাদেশি নাগরিক তাদের দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। সুযোগ পেলে তারা আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
এসটিএফ জানায়, তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে বনগাঁ এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। তারা হলেন, পটুয়াখালীর রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও ঢাকার আলমগীর হোসেন (৩৪)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুইজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ সহযোগী আলমগীর হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যা করেন এবং পালিয়ে যান। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করার পর শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া।
স্পেশাল টাস্ক ফোর্স জানায়, এ বিষয়ে একটি মামলা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করার পর তাদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।
মন্তব্য করুন
