

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইসলামে বিয়ের আগের প্রেম বা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক সমর্থন না করার মূল কারণ- এটি সমাজে অনৈতিকতা, অবক্ষয় ও ব্যভিচারের পথ উন্মুক্ত করে। ইসলাম মানুষের আবেগ-ভালোবাসাকে অস্বীকার করে না, বরং একে পবিত্র ও দায়িত্বশীল বন্ধন অর্থাৎ বিয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়।
ইসলাম শুধু জিনা হারাম করেনি, বরং জিনার দিকে নিয়ে যায় এমন সব মাধ্যমও নিষিদ্ধ করেছে। বিয়ের আগের সম্পর্ক ক্রমান্বয়ে মানুষকে শারীরিক সম্পর্কের দিকে প্ররোচিত করে।
আল্লাহ তাআলা বলেন, "তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেও না। নিশ্চয় এটি একটি অশ্লীল কাজ ও নিকৃষ্ট পথ।" (সূরা আল-ইসরা: ৩২)।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পুরুষ ও নারী উভয়কে তাদের দৃষ্টি সংযত রাখার এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করার নির্দেশ দিয়েছেন (সূরা আন-নূর: ৩০-৩১)।
বিয়ের আগে প্রেমিক-প্রেমিকার একাকী মেলামেশা নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সাথে নির্জনে মিলিত না হয়, কারণ তখন তাদের তৃতীয়জন হয় শয়তান।" (সুনানে তিরমিজি: ২১৬৫)।
অন্য হাদিসে এসেছে: "কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সাথে নির্জনে অবস্থান না করে, যতক্ষণ না তার সাথে কোনো মাহরাম (যার সাথে বিয়ে হারাম) থাকে।" (সহীহ বুখারী, হাদিস: ৫২৩৩)
ইসলামের সমাধান:
ইসলাম ভালোবাসার মানুষদের বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে উৎসাহিত করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "দুটি পরস্পরের ভালোবাসার মানুষের জন্য বিয়ের চেয়ে উত্তম আর কোনো সমাধান নেই।" (সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৮৪৭)।
বিয়ের আগের প্রেম মানুষকে সাময়িক আবেগ ও সামাজিক অবক্ষয়ের দিকে নেয়; পক্ষান্তরে, বিয়ে সমাজে পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্ববোধ ও একটি সুস্থ পরিবার গঠন নিশ্চিত করে।
