

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সৌদি আরবে বসবাস, শ্রম ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে এক সপ্তাহে ১৩ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অভিযোগে প্রায় ১৫ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
শনিবার (২৫ জুলাই) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ১৩ হাজার ২৫১ জনকে সৌদি আরব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েক হাজার ব্যক্তি বর্তমানে বহিষ্কারের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন।
বর্তমানে ৩০ হাজার ৫০০ জনের বেশি ব্যক্তি বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছেন। এর মধ্যে ১৭ হাজার ৭৪৭ জনকে ভ্রমণসংক্রান্ত নথিপত্র সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ৬ হাজার ১১৩ জনের দেশে ফেরার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সর্বশেষ ১৬ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে বসবাসের অনুমতি, শ্রম আইন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মোট ১৪ হাজার ৯৭০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিলেন আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্তরা। এছাড়া সীমান্ত নিরাপত্তা ও শ্রম আইন ভঙ্গের অভিযোগেও বহু ব্যক্তি আটক হন।
অভিযানের সময় অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে ১ হাজার ৬২৬ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৬২ শতাংশ ইথিওপিয়ার, ৩৭ শতাংশ ইয়েমেনের এবং বাকি ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক।
এছাড়া অবৈধভাবে সৌদি আরব ত্যাগের চেষ্টা করার সময় আরও ৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ অভিবাসীদের পরিবহন, আশ্রয়, কর্মসংস্থান বা গোপনে সহায়তা করার অভিযোগে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, অবৈধ সীমান্ত পারাপারে সহায়তা, অবৈধ অভিবাসীদের পরিবহন, আশ্রয় বা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড, ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।