

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিএনপি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। তাঁর দাবি, এসব নিয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
পোস্টে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম লেখেন, বিএনপি সরকার সম্প্রতি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে বিএনপির ১২ জন নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ে একজন সাবেক বিএনপি-সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিকে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
তিনি আরও লেখেন, এসব নিয়োগ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফায় দেওয়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণমুক্ত রাখার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। এটা আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দলীয়করণের পুনরাবৃত্তি এবং জবাবদিহিমূলক শাসনের প্রত্যাশার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
শিবির সভাপতি লেখেন, বিশেষ করে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকা ব্যক্তির নিয়োগ দেওয়া কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। সরকার যদি এ ধরনের অবৈধ নিয়োগ চাপিয়ে দেয়, তাহলে কমিশনের স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে এবং একটি স্বতন্ত্র ‘ইলেকশন সার্ভিস কমিশন’ গঠন এখন আরও জরুরি।
শিবির সভাপতি সাদ্দাম লেখেন, ইসি সচিবালয়ে বিএনপি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া ছাড়াও বাংলাদেশ জুট করপোরেশন, বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন, বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন, বিআইডব্লিউটিসি, বিসিক, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদেও বিএনপির নেতাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান শিল্প, পরিবহন, সামাজিক কল্যাণ, প্রবাসী কর্মসংস্থান ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত পরিচালনা করে।