

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজধানীর সাতারকুল এলাকার ৩০০ ফিট সড়ক থেকে বনশ্রী পর্যন্ত বাইপাস সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। রাজধানীর পূর্বাঞ্চল এলাকার জনসাধারণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে এমন যুগোপযোগী উন্নয়ন পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বাড্ডা, সাতারকুল, রামপুরা এলাকার ঢাকা-১১ আসনের গণমানুষের নেতা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সম্পাদক ড. এম এ কাইউম।
এম এ কাইউম বলেন, প্রস্তাবিত এই বাইপাস সড়কটি বাস্তবায়ন হলে অত্র এলাকার বহু দিনের জনদুর্ভোগ দূর হবে এবং জনসাধারণের যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতি হবে। এর পাশাপাশি দেশের পূর্বাঞ্চল, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে আগত ঢাকামুখী যানবাহনের ঢাকার মহানগরীর (যাত্রাবাড়ী-বাড্ডা রোডের) প্রগতি সরণীর ওপর চাপ কমবে।
আলোচিত বাইপাস সড়কটি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, রাজউক (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. জিয়া এবং ড. এম এ কাইউম।
এম এ কাইউম জানান, ঢাকা-১১ আসনের বাসিন্দারা প্রগতি সরণির যানজট নিয়ে নিয়মিত তাদের ভোগান্তি ও মতামত জানিয়ে আসছিলেন। জনগণের দাবির প্রেক্ষিতেই এই বাইপাস সড়কটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ২০ ফিটের এই বাইপাসটি নির্মিত হলে প্রগতি সরণির ওপর যানবাহনের চাপ অনেকাংশে কমে আসবে। তবে এই বাইপাসটির পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য দুটি খালের ওপর সেতু নির্মাণ প্রয়োজন।
প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ করে স্থায়ী রাস্তাটি নির্মাণ করতে যতদিন সময় লাগবে, ততদিন জনস্বার্থে এম এ কাইউমের ব্যক্তিমালিকানাধীন স্বদেশ প্রপার্টিজের সানভ্যালির ভেতরের রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করে প্রস্তুত করা হবে এবং তা বিকল্প পথ হিসেবে চালু রাখা হবে বলেও ঘোষণা দেন ঢাকা-১১ আসনের জনমানুষের নেতা ড. এম এ কাইউম।
মন্তব্য করুন
