

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলছেন, জামায়াত ইসলামী রংপুরে বেশিসংখ্যক আসন পাওয়ায় তাদের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এটা রংপুরের মানুষ মেনে নেবে না।
মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য সামনে দিকে আর হাত বাড়াবেন না, আর পা বাড়াবেন না। পরিনিতি ভালো হবে না। আপা যে পথে হেঁটেছেন আপনারও সেই পথে হাঁটছেন। এভাবে চললে টিকে থাকতে পারবেন না।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটার বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যারাই যাবে, তাদের এই দেশে থাকা হবে না। এই পথ পালানোর পথ। দেশের মানুষ আর দিল্লির খবরদারি মেনে নেবে না।
বিরোধীদলী নেতা বলেন, যুবকরা এখন প্রতিবাদ করা শিখিয়েছে। বিএনপি ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা চালিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা শুরু করছে। যারা ‘হ্যাঁ’ প্রচারণা চালিয়ে এখন ‘না’ বলছেন, তারাই একদিন এই দেশ থেকে নাই হয়ে যাবেন। জনতার রায়কে অগ্রাহ্য করে অতীতে কেউ টিকে থাকতে পারেনি, সামনেও কেউ টিকতে পারবে না।
নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির সমালোচনা করে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, নিয়োগ বাণিজ্যের জায়গাটাকে অনেকেই মধুর চাক মনে করেন। ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে সব জায়গায় চুরি-চামারি ও লুটপাট শুরু হয়েছে। চাঁদাবাজদের হাত বন্ধ করতে হবে, দুর্নীতিবাজদের হাত বন্ধ করতে হবে। দেশের জন্য একবার নয়, শতবার রাজপথে নামবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দুই শিবির কর্মী হত্যার সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা চাই না, ক্ষমতার লোভে আর কোনো মায়ের কোল খালি হোক। গায়ে পারা দিয়ে ঝগড়া বাজাতে আসবেন না।
গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়ারেজের সভাপতিতে সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, বগুড়া জেলা আমির আব্দুল হক, গাইবান্ধা জেলা আমির আব্দুল করিম এমপি, গাইবান্ধা জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি ইউসুফ আল কাজামী প্রমুখ।
এর আগে, শহীদ শিবির কর্মী সাইফুল্লাহ বারী ও জামায়াত কর্মী সালাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। পরে তাদের কবর জিয়ারত করেন।