

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠকে বসেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিইসির সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়।
জামায়াতের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন, দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিনিয়র আইনজীবী ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দীন সরকার এবং সিনিয়র আইনজীবী ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির।
জামায়াত বলছে, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা চাকরি ছেড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু এ সুযোগ বাতিলের সুপারিশ সংবিধানে থাকা নাগরিকের রাজনৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে।
গতকাল রাতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গণমাধ্যমে বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ বাদ দেয়ার প্রস্তাবের বিষয়ে ইসির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। একই সঙ্গে ইসি সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে সামসুল আলমের নিয়োগের বিষয়সহ আরও কয়েকটি ব্যাপারে দলের অবস্থান কমিশনের কাছে তুলে ধরা হবে।
এর আগে গত ২১ জুলাই নির্বাচন কমিশনের সভায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ না রাখার সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়। একই সভায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও সেনা মোতায়েনের আইনি সুযোগ রাখাসহ আরও কয়েকটি সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে মো. সামসুল আলমকে এক বছরের চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে এই নিয়োগের বিষয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির ভাষ্যমতে, ৬৭ বছর বয়সি এই কর্মকর্তা পূর্বে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন এবং অবসরের পরও একটি নির্দিষ্ট কমিটির পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনাসহ স্পর্শকাতর কাজ সম্পাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে এমন একজন ব্যক্তির অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা সম্ভব নয় দাবি করে অবিলম্বে এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত।