

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করে বলেন, আমাদের বক্তব্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিবেন আইনমন্ত্রী, না হয় প্রধানমন্ত্রী। আমরা এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকেই বক্তব্য চাই। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথম দিন থেকেই নিজে বক্তব্য রাখেন, এমনকি দু:খজনক হলো- স্পিকারের রুলিং দেওয়ার পরও কথা বলতে চান। এটা আসলে অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা তার মত একজন সিনিয়র অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ানের কাছ থেকে আশা করি না।
রোববার (২৯ মার্চ ) সন্ধায় সংসদ অধিবেশন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মুলতবি প্রস্তাব প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ১৫ মার্চ আমরা সাংবাদিকদের বলেছিলাম-জুলাই সনদ, সংস্কার প্রস্তাব এবং গণভোট নিয়ে সরকার উপেক্ষার নীতি অবলম্বেন করছে। আমরা ৭০ ভাগ মানুষের গণভোট অস্বীকার-অগ্রাহ্য করতে পারি না। সেদিন বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করলে স্পিকার যথা নিয়মে নোটিস দিতে বলেছিলেন, আমরা আজ (রোববার) সেই নোটিস দিয়েছিলাম। নোটিস পড়ে শোনানো হয়। এ সময় দফায় দফায় অনেক বাধা এসেছে। সব বাধা উপেক্ষা করে স্পিকার ৩১ তারিখে এ বিষয়ে আলোচনার বিষয়ে রুলিং দিয়েছেন। এরপর আলোচনায় কি হয় আমরা দেখবো। তবে আমরা আশা করবো-সরকারি দল আমাদেরকে সহযোগিতা করবে। আমরা সবাই অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলাম।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যে আদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে, একই আদেশে গণভোট হয়েছে। একটি জায়েজ, আরেকটি না জায়েজ-এটা হতে পারে না। ঝোল হালাল আর গোস্ত হারাম-এটা হওয়ার প্রশ্নই আসে না। না জায়েজ হলে দুটোই হবে। এই সংসদ বিশেষ প্রেক্ষাপটে গঠন হয়েছে। আমরা ৩১ তারিখে আলোচনায় অংশ নেব। আমরা আশা করবো জুলাই চেতনাকে-জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে, ৭০ ভাগ মানুষের দেয়া রায়কে সরকারি দলও সহযোগিতা করে এটাকে গ্রহণ করে নেবে এবং এরমধ্য দিয়ে এই সংকটের অবসান হবে ।
মন্তব্য করুন
