রবিবার
২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে কারা, জানালেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
expand
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশ তেলের দাম বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দাম না বাড়ালেও বিভিন্ন জায়গায় অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এই দাম বাড়ার পেছনে কারা জড়িত, ফেসবুকে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

রোববার (২৯ মার্চ) সকাল ১১টায় দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, জ্বালানি তেলের দাম সরকার বাড়ায়নি, সিন্ডিকেট বাড়িয়েছে। বাসের ভাড়াও সরকার নয়, সিন্ডিকেটের ইচ্ছেমতো বেড়েছে।

পোস্টের মন্তব্যের ঘরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও লিখেছেন, জনগণ আর সিন্ডিকেটের এই ‘সমঝোতা’ গড়ে তোলায় রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ সকালে ফেসবুকে লিখেছেন, সরকার বলছে দেশে তেলের কোনো সংকট নেই, আমিও এইটার সঙ্গে একমত। আসলেই এখনও এমন কিছুই হয় নাই যে দেশে এত তাড়াতাড়ি তেলের সংকট দেখা দিবে। হয়তো শঙ্কা থাকতে পারে।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে, যেহেতু দেশে তেলের সংকট নেই তাহলে প্রত্যেকটা পাম্পে গাড়ির এত লম্বা লম্বা লাইন কেন? তেলের এত হাহাকার কেন? হ্যাঁ, এই প্রশ্নটা আমারও, গতকালও মহাখালীর দিকে প্রত্যেকটা পাম্পে দেখলাম প্রায় এক-দেড় কিলোমিটার লম্বা গাড়ির লাইন। আমি ভুল না করলে দেশের প্রায় প্রত্যেক পাম্পের অবস্থা একই রকম।

এইবার আসেন মূল আলাপে, আমাদের দেশে দৈনিক অকটেনের চাহিদা গড়ে ১৩-১৪ লাখ লিটার। এবং এই চাহিদার ৮০ শতাংশই দেশে উৎপাদন করা হয়, যা সরকারি গ্যাসক্ষেত্র ও বেসরকারি ফ্রাকশনেশন প্ল্যান্ট থেকে প্রাপ্ত কনডেনসেট পরিশোধনের মাধ্যমে তৈরি হয়। আর অবশিষ্ট ২০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। অন্যদিকে পেট্রোলের চাহিদার শতভাগই দেশে উৎপাদিত হয়। তাহলে মোট চাহিদার ৮০ শতাংশ অকটেন এবং মোট চাহিদার শতভাগ পেট্রোলই দেশে উৎপাদিত হয়। আর উৎপাদনের উৎস হলো দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রাপ্ত কনডেনসেট এবং ইস্টার্ন রিফাইনারি।

আবার তেল মজুত রাখা যায় প্রায় সাড়ে ৬ কোটি লিটার। অর্থাৎ ২০ শতাংশ তেল বিদেশ থেকে আসুক আর না আসুক তেল কিন্তু দেশে ৪০-৫০ দিনের স্টক রয়েছে।

এইবার প্রশ্ন হইলো, সবকিছুই ঠিকঠাক, তাহলে পাম্পে এত ভিড় কেন? তেলের জন্য এত হাহাকার কেন? সহজ উত্তর হইলো সিন্ডিকেট। যারা এই কয়দিনে হাজার কোটি টাকা আপনার আমার পকেট থেকে লুট করে নিয়ে গেছে। তাহলে এই সিন্ডিকেট কারা? সরকারের থেকেও কি এই সিন্ডিকেটের শক্তি বেশি?

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন