

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শিবিরের সিনক্রিয়েটের কারণে শহীদ হাদিকেও মানুষ ভুলে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ওসমান হাদী হল নামকরণ না করার প্রতিবাদে সিনেট থেকে ওয়াকআউট করেছে ডাকসুর শিবির নেতারা। যদিও তারা ইতোপূর্বে শেখ মুজিবুর রহমান হলের নামের স্থলে শহীদ ওসমান হাদী লিখে দিয়েছিলো। এবার তারা সিনেট মিটিংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নামকরণের প্রস্তাব তুলেছে। কর্তৃপক্ষ এবিষয়ে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানায়। কিন্তু শিবির নেতাদের কথা হলো কিসের আলোচনা? আজকেই এটা করতে হবে। কিন্তু শিবিরের পরামর্শে নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্যের সময়ে তারা এই দাবি করেনি। তখন যদি ডাকসুর শিবির নেতারা এমন দাবি করতো, আমার বিশ্বাস তিনি এটি করে দিয়ে যেতেন
রাশেদ খান লেখেন, ইতোপূর্বে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা জাবের বলেছিলো, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরটা মানুষ চিনেছে শহীদ ওসমান হাদীর কবরের কারণে। বলা যায় ডাকসুর শিবির নেতারা একপ্রকার সিনক্রিয়েট করেই জাতীয় কবির পাশে ওসমান হাদীর কবর নিশ্চিত করে। সিনক্রিয়েট করে কোনকিছু করলে যে সম্মানের চেয়ে অসম্মান বেশি হয় তা হয়তো শিবির নেতারা বোঝে না। তারা মনে করে ৭১ এর সময় জোরজবরদস্তি করেও যেহেতু পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষা করা যায়। ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে জোরজবরদস্তি করে যতোটুকু বাস্তবায়ন করা যায়। এগুলো করতে গেলে জামায়াত-শিবির ৭১ এর মত বারবার পরাজিত ও অপদস্ত হবে। শহীদ ওসমান হাদীকে দলীয়করণ করে তার সম্মান নষ্ট করার পায়তারা না করে বরং তাকে সার্বজনীন রাখার চেষ্টা করুন। নতুবা আপনাদের সিনক্রিয়েটের কারণে শহীদ ওসমান হাদীকেও মানুষ স্মরণ করা ভুলে যাবে।